ঢাকা ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফেনী পরশুরামে মুহুরী নদী থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার দীর্ঘ ৪ দিন পর আবারো উৎপাদনে ফিরেছে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ফেনীতে ১৯৯০ পিস ইয়াবা ও মোটরসাইকেলসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার রাজবাড়ী সদর উপজেলার বরাট ইউনিয়নের ভবদিয়ায় অবস্থিত গোল্ডেন গ্রুপের জুট মিল লিমিটেড চট্টগ্রামের ৩ বছরের শিশুকে আছাড় মেরে হত্যা রাজবাড়ীতে র‍্যাবের অভিযানে গাঁজা ও বিদেশি মদসহ নারী গ্রেফতার রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে অবৈধ অস্ত্র ও ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে রাজবাড়ীতে ছাগল চুরি করে পাচারকালে দরুদ আলী নামের সাবেক এক ইউপি সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাদক বিরোধী অভিযানে ৭ জন মাদক সেবীকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ১০০ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে বাগেরহাট মোরেলগঞ্জে সাংবাদিকের উপর হামলা করেন বিএনপির সন্ত্রাসী বাহিনী

সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোল রেড নোটিশ জারি

মোঃমকবুলার রহমান স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৮:৪০:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ২০৬ বার পড়া হয়েছে

সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোল রেড নোটিশ জারি

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

মোঃমকবুলার রহমান স্টাফ রিপোর্টার

সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তারের জন্য ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির আদেশ দিয়েছে আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ জাকির হোসেন গালিব সোমবার এ আদেশ দেন।

দুদকের করা মামলায় বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে ৭৪ কোটি ১৩ লাখ ৩৯ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং সম্পদের তথ্য গোপন করার অভিযোগ আনা হয়েছে। গত ১৫ ডিসেম্বর বেনজীর আহমেদ, তার স্ত্রী এবং দুই মেয়ের বিরুদ্ধে পৃথক চারটি মামলা দায়ের করা হয়।

দুদকের অনুসন্ধানে বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের ৬৯৭ বিঘা জমি, ১৯টি কোম্পানির শেয়ার, ঢাকায় ১২টি ফ্ল্যাট, ৩০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র, ৩৩টি ব্যাংক হিসাব এবং তিনটি বিও হিসাব পাওয়া যায়। আদালতের আদেশে এসব সম্পদ জব্দ করা হয়েছে।

দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, গত বছরের এপ্রিলে একটি সভায় বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অনুসন্ধান শুরু হওয়ার পর মে মাসের প্রথম সপ্তাহে বেনজীর আহমেদ তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দেশত্যাগ করেন বলে বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়।

বেনজীর আহমেদ ২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার এবং র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) এর মহাপরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

এই মামলাটি দুদকের তদন্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা বাংলাদেশের দুর্নীতি বিরোধী অভিযানের একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোল রেড নোটিশ জারি

আপডেট সময় : ০৮:৪০:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
print news

মোঃমকবুলার রহমান স্টাফ রিপোর্টার

সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তারের জন্য ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির আদেশ দিয়েছে আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ জাকির হোসেন গালিব সোমবার এ আদেশ দেন।

দুদকের করা মামলায় বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে ৭৪ কোটি ১৩ লাখ ৩৯ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং সম্পদের তথ্য গোপন করার অভিযোগ আনা হয়েছে। গত ১৫ ডিসেম্বর বেনজীর আহমেদ, তার স্ত্রী এবং দুই মেয়ের বিরুদ্ধে পৃথক চারটি মামলা দায়ের করা হয়।

দুদকের অনুসন্ধানে বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের ৬৯৭ বিঘা জমি, ১৯টি কোম্পানির শেয়ার, ঢাকায় ১২টি ফ্ল্যাট, ৩০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র, ৩৩টি ব্যাংক হিসাব এবং তিনটি বিও হিসাব পাওয়া যায়। আদালতের আদেশে এসব সম্পদ জব্দ করা হয়েছে।

দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, গত বছরের এপ্রিলে একটি সভায় বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অনুসন্ধান শুরু হওয়ার পর মে মাসের প্রথম সপ্তাহে বেনজীর আহমেদ তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দেশত্যাগ করেন বলে বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়।

বেনজীর আহমেদ ২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার এবং র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) এর মহাপরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

এই মামলাটি দুদকের তদন্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা বাংলাদেশের দুর্নীতি বিরোধী অভিযানের একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা।