আগের পর্বে আমরা দেখেছি, নৈতিক অবক্ষয় ও সামাজিক সংকট কীভাবে অপরাধ বাড়াচ্ছে। এবার প্রশ্ন—অপরাধীরা কেন আইনের ভয় পায় না?
বাংলাদেশে ধর্ষণের ঘটনা যতটা উদ্বেগের, তার চেয়েও বড় উদ্বেগ হলো বিচারহীনতা। অনেক মামলার বিচার বছরের পর বছর ঝুলে থাকে। কোনো কোনো ঘটনায় চার্জশিট দাখিল হতেও দীর্ঘ সময় লেগে যায়।
এর ফলে ভুক্তভোগী পরিবার মানসিক, সামাজিক ও আর্থিকভাবে ভেঙে পড়ে। অনেকেই মাঝপথে মামলা চালানোর সাহস হারিয়ে ফেলেন।
সবচেয়ে ভয়ঙ্কর বিষয় হলো—কিছু অপরাধী রাজনৈতিক পরিচয়, অর্থ বা প্রভাব ব্যবহার করে আইনের দুর্বলতাকে কাজে লাগায়। এতে সমাজে একটি বার্তা যায়—ক্ষমতা থাকলে অপরাধ করেও পার পাওয়া সম্ভব।
বিচার দেরি হওয়ার পেছনে কয়েকটি কারণ স্পষ্ট:
এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে মানুষ আইনের প্রতি আস্থা হারাবে। তখন সমাজে প্রতিশোধ ও অস্থিরতা বাড়বে।
রাষ্ট্রকে বুঝতে হবে—ধর্ষণের বিচার শুধু একটি মামলার নিষ্পত্তি নয়; এটি পুরো সমাজকে একটি বার্তা দেওয়া যে, “অপরাধ করলে ছাড় নেই।”
আজ প্রয়োজন দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আরও কার্যকর করা, সাক্ষীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে বিচার নিশ্চিত করা।
চলবে…
পরবর্তী পর্বে: “ধর্ষণ বন্ধে রাষ্ট্র, সমাজ ও পরিবারের করণীয় কী?”
মাহের আহমেদ
সম্পাদক ও প্রকাশক
দৈনিক যখন সময়
সূত্র:
১. বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট সম্পর্কিত প্রকাশিত তথ্য
২. আইন ও সালিশ কেন্দ্র (ASK)
৩. মানবাধিকার কমিশনের প্রতিবেদন
৪. বিভিন্ন জাতীয় সংবাদমাধ্যম
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক হোসেন মঞ্জিল, ৬/১, ধলপুর, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : হোসেন মঞ্জিল, ৬/১, ধলপুর, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪, বাংলাদেশ। সাব-হেড অফিস: টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২