স্টাফ রিপোর্টার রংপুর
বাজারে ভালো দাম না পাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন কুড়িগ্রামের আলুচাষিরা।
পরিপক্ব হওয়ায় শ্রমিক লাগিয়ে ক্ষেতের আলু উত্তোলন শুরু করেছেন কৃষকরা। উৎপাদিত আলু বস্তায় ভরে কেউ কেউ বিক্রি করলেও অনেকেই নিয়ে যাচ্ছেন হিমাগার ও বাড়িতে।
গত বছরের লোকসান পোষাতে এ বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে আলুর আবাদ করেছেন কুড়িগ্রামের কৃষকরা। অনুকূল আবহাওয়ায় উৎপাদন ভালো হলেও শুরুতেই বাজারে দাম পড়ে যাওয়ায় হতাশ তারা।
রাজারহাট উপজেলার টগরাইহাট এলাকার আলুচাষি সাইফুল ইসলাম জানান, গত বছর আলুতে লস হয়েছে। ভেবেছিলাম এবার ভালো দাম পাওয়া যেতে পারে। কিন্তু এবারও একই অবস্থা। শেষ পর্যন্ত ভালো দাম পাওয়া না গেলে আগামীতে আলু আবাদ করবো না।
সদরের কাঁঠালবাড়ি ইউনিয়নের কৃষক সবুজ মিয়া জানায়, বাজারে বর্তমানে আলুর কেজি ৯ থেকে ১০ টাকা। আর প্রতিকেজি আলু উৎপাদনে ব্যয় হয়েছে ১৭ থেকে ১৮ টাকা। সরকারিভাবে বিদেশে আলু রফতানির মাধ্যমে দাম নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে ভবিষ্যতে আলুর আবাদ কমে আসবে।
কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. মেহেদী হাসান জানান, এ বছর জেলায় আলুর উৎপাদন ভালো হওয়ায় দাম কমেছে। উৎপাদিত আলুর ভালো বাজার মূল্য পেতে হিমাগারের পাশাপাশি দেশীয় পদ্ধতিতে ৩ থেকে ৪ মাস সংরক্ষণ করতে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক হোসেন মঞ্জিল, ৬/১, ধলপুর, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : হোসেন মঞ্জিল, ৬/১, ধলপুর, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪, বাংলাদেশ। সাব-হেড অফিস: টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২