ঢাকা ০২:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকা কারওয়ান বাজারের কাঠপট্টিতে আগুন, ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণে ৫ ইউনিট চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিস্ফোরণের ঘটনায় মূল হোতা দুলাল গ্রেফতার বিসিবির দায়িত্ব নেবেন কি না, জানালেন ইশরাক হোসেন আজ চরমোনাই পীরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তারেক রহমান ফেনী সোনাগাজীতে সরকারি কলেজে ছাত্রদলের উদ্যোগে মিষ্টি বিতরণ মন্ত্রিপরিষদের নতুন সচিব ড. নাসিমুল গনি মন্ত্রীপরিষদ সংসদ সদস্য শপথ অনুষ্ঠানে থাকছেন ১২০০ দেশি-বিদেশি অতিথি গণঅধিকারে ফিরছেন না, বিএনপিতে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত রাশেদ খানের ফেনীতে ভোট কেন্দ্র থেকে জুলাই যোদ্ধাকে তুলে নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ ধানমন্ডি ৩২ থেকে ঢাবি অধ্যাপক সহ আটক ৫
বিশেষ বিজ্ঞপ্তি ::
আমাদের নিউজপোর্টালে আপনাকে স্বাগতম... আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল গঠন। নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগের জন্য জরুরি যোগাযোগ করুন: ০২-৪৭১১৮৭০০, ০২-৪৭১১৮৭০১, ০২-৪৭১১৮৭০২, ০২-৪৭১১৮৭০৩ এবং মোবাইল নম্বর: ০১৫৫০-০৬৪২২৬ (WhatsApp) ও ০১৫৫০-০৬৪২২৭'-স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

ফেনীতে শিশু নাশিদ হত্যার আসামিদের মৃত্যুদন্ড রায় দিলেন আদালত

তিমির চন্দ্র দাস, ক্রাইম রিপোর্টার ফেনী:
  • আপডেট সময় : ০৪:২৫:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬ ৪৪ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

তিমির চন্দ্র দাস,
ক্রাইম রিপোর্টার ফেনী:

ফেনীতে শিশু নাশিদ হত্যা মামলা আসামিদের মৃত্যুদন্ড রায় ঘোষনা দিলেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল জেলা দায়রা জজ আদালত ফেনী।

২৯ই জানুয়ারী বৃহস্পতিবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল জেলা দায়রা জজ আদালত এর বিচারক এ.এন.এম.মোরশেদ খাঁন শিশু নাশিদ হত্যার আসামীদের মৃত্যুদন্ড রায় ঘোষণা করেন।

১২ই ডিসেম্বর ২০২৪ সালে চাঞ্চল্যকর অপহরণকৃত শিশু নাশিদ (১০) হত্যার পর লাশ ফেনী পুর্ব দেবীপুরের রেললাইনের পাশের কচুরিপানা ঢোবা থেকে স্কুল ব্যাগে পাথর রাখা অবস্থায় পুলিশ শিশু নাশিদের লাশ উদ্ধার করেন।

শিশু নাশিদ ফেনী গ্রামার স্কুলের ৪র্থ শ্রেনীর ছাত্র, ৮ই ডিসেম্বর ২০২৪ শিবলু সড়কের কোচিং সেন্টার এ যাওয়ার পথে তুষার ও ওয়াসি মিলে কিডন্যাপ করে, তাকে কিডন্যাপ করে দেবীপুরের রেললাইনের কাছে নিয়ে যায়, প্রথমে রিফাত কে ডেকে নিয়ে আসে।

তুষারের কথায় ওয়াসি দোকান থেকে জুস নিয়ে আসে, জুসের মধ্যে ঘুমের ঔষুধ মিক্স করে নাশিদকে অজ্ঞান করেন দুষ্কৃতিকাররা, নাশিদ অজ্ঞান অবস্থায় অন্য আরেকটি এলাকায় ঝাউ বাগানের একটি ঘরে আটক করে রাখেন।

নাশিদ ঘুম থেকে উঠার পর তাকে দুষ্কৃতিকারীরা সবাই মিলে হাত পা ও গলা চিপে ধরে হত্যা করেন, হত্যার পর নাশিদকে দেবীপুরের রেললাইনের পাশের কচুরিপানা ডোবায় লাশ গুম করেন, পরবর্তীতে পুলিশ হত্যা কারীদের গ্রেফতার করলে আসামিদের স্বীকারোক্তি মোতাবেক নাশিদ এর লাশ পুলিশ উদ্ধার করে।

প্রায় ১ বছর ২ মাস পর নাশিদ হত্যার এই বিচারের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল জেলা দায়রা জজ আদালত এর বিচারক এ.এন.এম.মোরশেদ খাঁন মামলাটি চার্জ গঠন ও ২১ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষর উপর ভিত্তি করে আসামী তুষার, ওয়াসিম, ও রিফাতকে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা মোতাবেক মৃত্যুদন্ড, ১ লক্ষ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ১ বছর কারাদণ্ড প্রাদান করেন, দণ্ডবিধির ২০১ ধারায় প্রত্যেক কে ৭ বছর কারাদণ্ড, ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ৩ মাস কারাদণ্ড রায় প্রদান করেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৮ ধারায় প্রত্যেক কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ১ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

ফেনীতে শিশু নাশিদ হত্যার আসামিদের মৃত্যুদন্ড রায় দিলেন আদালত

আপডেট সময় : ০৪:২৫:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
print news

তিমির চন্দ্র দাস,
ক্রাইম রিপোর্টার ফেনী:

ফেনীতে শিশু নাশিদ হত্যা মামলা আসামিদের মৃত্যুদন্ড রায় ঘোষনা দিলেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল জেলা দায়রা জজ আদালত ফেনী।

২৯ই জানুয়ারী বৃহস্পতিবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল জেলা দায়রা জজ আদালত এর বিচারক এ.এন.এম.মোরশেদ খাঁন শিশু নাশিদ হত্যার আসামীদের মৃত্যুদন্ড রায় ঘোষণা করেন।

১২ই ডিসেম্বর ২০২৪ সালে চাঞ্চল্যকর অপহরণকৃত শিশু নাশিদ (১০) হত্যার পর লাশ ফেনী পুর্ব দেবীপুরের রেললাইনের পাশের কচুরিপানা ঢোবা থেকে স্কুল ব্যাগে পাথর রাখা অবস্থায় পুলিশ শিশু নাশিদের লাশ উদ্ধার করেন।

শিশু নাশিদ ফেনী গ্রামার স্কুলের ৪র্থ শ্রেনীর ছাত্র, ৮ই ডিসেম্বর ২০২৪ শিবলু সড়কের কোচিং সেন্টার এ যাওয়ার পথে তুষার ও ওয়াসি মিলে কিডন্যাপ করে, তাকে কিডন্যাপ করে দেবীপুরের রেললাইনের কাছে নিয়ে যায়, প্রথমে রিফাত কে ডেকে নিয়ে আসে।

তুষারের কথায় ওয়াসি দোকান থেকে জুস নিয়ে আসে, জুসের মধ্যে ঘুমের ঔষুধ মিক্স করে নাশিদকে অজ্ঞান করেন দুষ্কৃতিকাররা, নাশিদ অজ্ঞান অবস্থায় অন্য আরেকটি এলাকায় ঝাউ বাগানের একটি ঘরে আটক করে রাখেন।

নাশিদ ঘুম থেকে উঠার পর তাকে দুষ্কৃতিকারীরা সবাই মিলে হাত পা ও গলা চিপে ধরে হত্যা করেন, হত্যার পর নাশিদকে দেবীপুরের রেললাইনের পাশের কচুরিপানা ডোবায় লাশ গুম করেন, পরবর্তীতে পুলিশ হত্যা কারীদের গ্রেফতার করলে আসামিদের স্বীকারোক্তি মোতাবেক নাশিদ এর লাশ পুলিশ উদ্ধার করে।

প্রায় ১ বছর ২ মাস পর নাশিদ হত্যার এই বিচারের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল জেলা দায়রা জজ আদালত এর বিচারক এ.এন.এম.মোরশেদ খাঁন মামলাটি চার্জ গঠন ও ২১ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষর উপর ভিত্তি করে আসামী তুষার, ওয়াসিম, ও রিফাতকে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা মোতাবেক মৃত্যুদন্ড, ১ লক্ষ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ১ বছর কারাদণ্ড প্রাদান করেন, দণ্ডবিধির ২০১ ধারায় প্রত্যেক কে ৭ বছর কারাদণ্ড, ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ৩ মাস কারাদণ্ড রায় প্রদান করেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৮ ধারায় প্রত্যেক কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ১ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন।