জলঢাকায় ২৫ দিনে ৮টি গরু ও ৫টি মোটরসাইকেল চুরি
- আপডেট সময় : ০৯:৪৫:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬ ৬৬ বার পড়া হয়েছে

হাসানুজ্জামান সিদ্দিকী হাসান
বুরো চিপ রংপুর বিভাগ:
নীলফামারীর জলঢাকায় বেড়েই চলেছে চুরির ঘটনা। মাত্র ২৫ দিনে ৮টি গরু ও ৫টি মোটরসাইকেল চুরির ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার দিনে দুপুরে জলঢাকার প্রাণকেন্দ্র জিরো পয়েন্ট মোড়স্থ সাত্তার মেম্বারের হোটেলের সামনে থেকে পালসার ১৫০ সিসি মোটর সাইকেল চুরি হয়।
মোটরসাইকেলের মালিক জলঢাকা সরকারি কলেজের প্রভাষক সফিকুল গনি জানান, আমি হোটেলের সামনে মোটরসাইকেলটি রেখে নাস্তা খাওয়ার জন্য হোটেলের ভিতরে যাই, মাত্র দশ মিনিটের মধ্যে নাস্তা খেয়ে বের হয়ে দেখি আমার মোটরসাইকেলটি নাই।
তিনি আরও বলেন, থানা থেকে মাত্র কয়েক’শ গজ দুরে এই জনবহুল এলাকায় দিনে দুপুরে যদি এভাবে চুরি হয় তাহলে আসলেই এটা দুঃখজনক। সফিকুল গনি উপজেলার কাঁঠালী ইউনিয়নের উত্তর দেশীবাই এলাকার মতলুবর রহমানের ছেলে।
এদিকে গত ২৩ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে পৌরসভার বগুলাগাড়ি ৪নং ওয়ার্ডের হিন্দু পাড়ায় মৃত ঈশ্বর চন্দ্র রায় এর স্ত্রী মিনা রানী এর বাড়ি থেকে ১টি গরু চুরি হয়।
এছাড়াও ২৪ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে উপজেলার শিমুল বাড়ী ইউনিয়নের দক্ষিণ বেরুবন্দ বাজার এলাকার মৃত হর দয়াল এর ছেলে বিশাল চন্দ্র রায়ের বাজাজ ১০০ সিসি মোটর সাইকেলটি ঘরের বেড়া কেটে চুরি করে নিয়ে যায়। আবার ২৫ ডিসেম্বর বিকেলে পৌর শহরের গ্যাস পাম্পের সামনে গরু হাটি থেকে কৈমারী টটুয়াপাড়া এলাকার মৃত খড়িয়া মামুদ’র ছেলে জিয়াউল হকের বাজাজ সিটি ১০০ সিসি মোটর সাইকেলটি চুরি করে নিয়ে যায়।
তার আগে ১৫ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে উপজেলার পূর্ব বালাগ্রাম চেয়ারম্যান পাড়া এলাকার হাফিজুর রহমান”র ছেলে মাদ্রাসা শিক্ষক শামীম নেওয়াজ ও সুমন নেওয়াজ এর বাড়ির গোয়াল ঘরের টিনের বেড়া কেটে পাঁচটি দেশী গরু চুরি করে নিয়ে যায়।
এদিকে, গত ১৩ ডিসেম্বর দুপুরে জলঢাকা পেট্রোল পাম্প মসজিদের সামনে থেকে পৌরসভার আমরুল বাড়ি এলাকার রুহুল আমিন এর ছেলে আব্দুর রাজ্জাক রিংকুর মোটরসাইকেলটি চুরি হয়ে যায়। পরের দিন ১৪ ডিসেম্বর রোববার বিকেলে জলঢাকা গরু হাটির সামনে থেকে পৌরসভার চেরেঙ্গা ডাকুর ডাঙ্গা এলাকার মনির উদ্দিনের ছেলে আতিকুল ইসলাম এর মোটর সাইকেলটি চুরি হয় এবং রাতে একই এলাকার ছিতা নন্দ রায়ের ছেলে সুশান্ত চন্দ্র রায়ের গোয়াল ঘরের বেড়া কেটে দুইটি গরু চুরি করে নিয়ে যায় চোরেরা।
এভাবে প্রতি দিনেই উপজেলার কোথাও না কোথাও একের পর এক বেড়েই চলছে চুরির ঘটনা। চুরির আতঙ্কে রয়েছে সকল ব্যবসায়ী সহ গোটা উপজেলা বাসি।
চুরির বিষয় জানতে চাইলে জলঢাকা থানা অফিসার ইনচার্জ নাজমুল আলম বলেন,আমরা এ পর্যন্ত বিভিন্ন চুরির ঘটনার সাথে জড়িত ৯জন চোরকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠিয়ে দিয়েছি এবং চোরাই দুইটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।
চুরির ঘটনায় আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে।

























