ঢাকা ১০:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রক্ত দিয়ে ফেরার পথে সড়কে প্রাণ গেলো রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি রবিউলের কিশোরগঞ্জে নকল ঔষধ কারখানায় অভিযান ও জরিমানা ‎জলঢাকায় বুড়িতিস্তা নদী খনন প্রকল্পের কার্যক্রম দ্রুত চালুর ও মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ নোয়াখালী বেগমগঞ্জ উপজেলার আলাইয়ারপুরে কবরস্থান থেকে বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার নির্বাচনে নাশকতার সন্দেহ মনোহরদীতে বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত রাজবাড়ীতে ননদের কামড়ে ছিড়ে গেছে ভাবীর ঠোঁট নিজ বাড়ি থেকে মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁর স্ত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার মনোহরদীতে মোটরসাইকেল চাপায় মাদ্রাসা সুপার নিহত দেশের সবকিছুর ভিত্তি আইনশৃঙ্খলা শুরুতে সমস্যা থাকলেও এখন ভালো অবস্থা পররাষ্ট্র উপদেষ্টা রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় “শান্তিতে থাকবো” অপরকে শান্তিতে রাখবো সামাজিক সংগঠন এর উদ্যোগ শীতবস্ত্র বিতরণ

চলতি মৌসুমে ধানের উৎপাদন বাড়লেও দাম নিয়ে চিন্তিত কৃষক

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর:
  • আপডেট সময় : ০২:১৪:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫ ৪২ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর:

রংপুরে গত ১০ বছরে আমন ধানের আবাদ বেড়েছে ৩৭ হাজার হেক্টরের বেশি জমিতে। উৎপাদন বেড়েছে ৬ লাখ মেট্রিক টনের বেশি। চলতি মৌসুমে উৎপাদন বাড়লেও দাম নিয়ে চিন্তিত কৃষক।

রংপুর সিটি করপোরেশন এলাকার কৃষক নিরোঞ্জন দাস, আব্দুল কাসেম, মনিরুল আলম, তাজুল রহমানসহ কয়েকজন জানান, গত বছর তারা মৌসুমের শুরুতে প্রতি মণ আমন ধান বিক্রি করেন ১ হাজার ২৫০ টাকা দরে। মৌসুম শেষে বিক্রি করেন ১ হাজার ৪০০ টাকা দরে।

এবার শুরুতেই গত বছরের তুলনায় দাম কমেছে মণপ্রতি ১৫০ টাকার বেশি। তাদের আশঙ্কা, পুরোদমে ধান কাটা-মাড়াই চললে ধানের দাম আরও কমে যেতে পারে। প্রতি মণ হাজার টাকার নিচে নেমে গেলে লোকসান গুনতে হবে কৃষকদের।

রংপুর নগরীর মাহিগঞ্জ এলাকার ধান-চাল ব্যবসায়ীরা জানান, গত বছরের চেয়ে এবার প্রতি মণ ধান ১৫০-২০০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে। তবে কয়েক দিনের মধ্যে দাম বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন এই ব্যবসায়ী।

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ বছর আমন ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৬ লাখ ২০ হাজার ৪৩০ হেক্টর জমিতে। লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৬ লাখ সাড়ে ২১ হাজার হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে। উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে ২০ লাখ ১০ হাজার টনের বেশি।

সম্প্রতি রংপুর অঞ্চলে শুরু হয়েছে আমন ধান কাটা-মাড়াই। ধানের ভালো ফলনে কৃষকের গোলাও ভরে উঠছে। তবে এবার বাজারে ধানের দাম কিছুটা কম। গত বছর মৌসুমের শুরুতে প্রতি মণ (৪০ কেজি) ধান বিক্রি হয়েছিল ১ হাজার ২৫০ টাকায়। এবার বিক্রি হচ্ছে ১৫০-২০০ টাকা কমে। পুরোদমে ধান কাটা-মাড়াই শুরু হলে দাম আরও কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষক।

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক সিরাজুল ইসলাম জানান, ধানের দাম আশা করি বাড়বে। কৃষক তার ন‍্যায‍্যমূল‍্য পাবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

চলতি মৌসুমে ধানের উৎপাদন বাড়লেও দাম নিয়ে চিন্তিত কৃষক

আপডেট সময় : ০২:১৪:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর:

রংপুরে গত ১০ বছরে আমন ধানের আবাদ বেড়েছে ৩৭ হাজার হেক্টরের বেশি জমিতে। উৎপাদন বেড়েছে ৬ লাখ মেট্রিক টনের বেশি। চলতি মৌসুমে উৎপাদন বাড়লেও দাম নিয়ে চিন্তিত কৃষক।

রংপুর সিটি করপোরেশন এলাকার কৃষক নিরোঞ্জন দাস, আব্দুল কাসেম, মনিরুল আলম, তাজুল রহমানসহ কয়েকজন জানান, গত বছর তারা মৌসুমের শুরুতে প্রতি মণ আমন ধান বিক্রি করেন ১ হাজার ২৫০ টাকা দরে। মৌসুম শেষে বিক্রি করেন ১ হাজার ৪০০ টাকা দরে।

এবার শুরুতেই গত বছরের তুলনায় দাম কমেছে মণপ্রতি ১৫০ টাকার বেশি। তাদের আশঙ্কা, পুরোদমে ধান কাটা-মাড়াই চললে ধানের দাম আরও কমে যেতে পারে। প্রতি মণ হাজার টাকার নিচে নেমে গেলে লোকসান গুনতে হবে কৃষকদের।

রংপুর নগরীর মাহিগঞ্জ এলাকার ধান-চাল ব্যবসায়ীরা জানান, গত বছরের চেয়ে এবার প্রতি মণ ধান ১৫০-২০০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে। তবে কয়েক দিনের মধ্যে দাম বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন এই ব্যবসায়ী।

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ বছর আমন ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৬ লাখ ২০ হাজার ৪৩০ হেক্টর জমিতে। লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৬ লাখ সাড়ে ২১ হাজার হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে। উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে ২০ লাখ ১০ হাজার টনের বেশি।

সম্প্রতি রংপুর অঞ্চলে শুরু হয়েছে আমন ধান কাটা-মাড়াই। ধানের ভালো ফলনে কৃষকের গোলাও ভরে উঠছে। তবে এবার বাজারে ধানের দাম কিছুটা কম। গত বছর মৌসুমের শুরুতে প্রতি মণ (৪০ কেজি) ধান বিক্রি হয়েছিল ১ হাজার ২৫০ টাকায়। এবার বিক্রি হচ্ছে ১৫০-২০০ টাকা কমে। পুরোদমে ধান কাটা-মাড়াই শুরু হলে দাম আরও কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষক।

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক সিরাজুল ইসলাম জানান, ধানের দাম আশা করি বাড়বে। কৃষক তার ন‍্যায‍্যমূল‍্য পাবেন।