মোঃ মকবুলার রহমান
নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি:
বাংলাদেশের উত্তরের জেলা নীলফামারী ও পঞ্চগড়ে গত কয়েকদিন ধরে মুষলধারে বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। সঙ্গে নেমে এসেছে হালকা শীতের ছোঁয়া। হঠাৎ এই বৃষ্টি ও ঠান্ডা হাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন এলাকার কৃষকরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টানা বৃষ্টিতে অনেক কৃষকের আমন ধানক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। কোথাও কোথাও জমির ধানগাছ ভারি হয়ে নুইয়ে পড়েছে, আবার অনেক ক্ষেতেই গাছ মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে। এতে ফলনের পরিমাণ কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকেরা।
নীলফামারীর ডোমার, কিশোরগঞ্জ ও জলঢাকা উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠে দেখা গেছে, পাকা ধান কাটার আগেই গাছ নুয়ে পড়েছে। অনেকে আগাম ধান কেটে ঘরে তোলার চেষ্টা করছেন, কিন্তু টানা বৃষ্টিতে ধান শুকানো যাচ্ছে না। ফলে ধানের মান ও ফলন—দুটোই কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কৃষি কর্মকর্তারা।
একই অবস্থা পঞ্চগড়ের বোদা ও আটোয়ারীতেও। স্থানীয় কৃষক মোঃ লিয়াকত আলী লাভলু জানান, ধান পাকার পরই বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এখন জমি কাদা হয়ে গেছে, অনেক জমিতে ধানগাছ মাটিতে পড়ে আছে, উঠানোরও উপায় নেই।
ডোমার উপজেলার ভোগডাবুড়ি ইউনিয়নের সীমান্ত পাড়ার কৃষক শফিউল ইসলাম ও তার ভাই রবিউল ইসলাম বলেন টানা বৃষ্টিতে আমাদেরও ধানক্ষেত তলিয়ে গেছে,এখন কি করব ভেবে পাচ্ছি না। এদিকে বৃষ্টির কারণে যেসব জমিতে পানি জমে গেছে, জমির আইল কেটে সেখানে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করছেন কৃষকরা। আবহাওয়া যদি স্বাভাবিক হয় তাহলে কৃষকের ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
এদিকে বৃষ্টির সঙ্গে হঠাৎ নেমে আসা ঠান্ডা বাতাসে গ্রামীণ এলাকায় বেড়েছে শীতের অনুভূতি। সকালে ও রাতে জনজীবনে পড়েছে তার প্রভাব।
মৌসুমের এই অপ্রত্যাশিত বৃষ্টি যেমন কৃষকদের ধান কাটার পরিকল্পনা ব্যাহত করেছে, তেমনি শীতের আগমনী বার্তাও এনে দিয়েছে উত্তরাঞ্চলে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক হোসেন মঞ্জিল, ৬/১, ধলপুর, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : হোসেন মঞ্জিল, ৬/১, ধলপুর, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪, বাংলাদেশ। সাব-হেড অফিস: টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২