বিনা উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল ও স্বল্প জীবনকালীন জাত বিনাধান-১৭ এর মাঠ দিবসের আলোচনা অনুষ্ঠিত
- আপডেট সময় : ১০:১২:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫ ৪০ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর:
আজ (২৭ অক্টোবর) সোমবার
দুপুরে রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার বালারহাটে বিনা উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল ও স্বল্প জীবনকালীন জাত বিনাধান-১৭ এর মাঠ দিবসের আলোচনায় মাত্র ১০৫ থেকে ১১০ দিনের মধ্যে ধান কাটা যায় এবং পানি ও সার কম লাগার কারণে বিনাধান চাষে ব্যয় কম হয়। এ কারণেই স্বল্প সময়ে ভালো ফলনের জন্য বিনাধান-৭ চাষে চাষিদের আগ্রহ বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বিনা, রংপুরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. রফিকুল ইসলাম আলোচনায় তিনি এ তথ্য দেন।
বিনা, রংপুরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. রফিকুল ইসলাম বলেন, বিনাধান-৭ স্বল্প সময়ে উৎপাদন সম্পন্ন হওয়ার কারণে পরবর্তীতে ওই জমিতে আলু কিংবা সরিষা করে আবারও ঠিক সময়ে বোরো ধান চাষ করা যায়। তাছাড়া বিনাধান-৭ চাষে পানি কম লাগে এবং সারও কম লাগে। যার ফলে ধান উৎপাদনে চাষিদের ব্যয় কমে। এছাড়াও বিনাধান-১১ বন্যা সহনশীল এবং অধিক ফলনশীল। ২৫ দিন পর্যন্ত পানিতে নিমজ্জিত থাকলেও এই ধানের কোনো ক্ষতি হবে না।
তিনি আরও বলেন, বিনাধান-৭ ও বিনার অন্যান্য জাতের গড় ফলন হেক্টর প্রতি ৫ টন থেকে সাড়ে ৭ টন পর্যন্ত হয়ে থাকে। এছাড়াও অন্যান্য জাতের ধানের চেয়ে বিনাধানে পোকামাকড়ের আক্রমণ কম হয়।
বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) উপকেন্দ্র, রংপুরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত মাঠ দিবসে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন রংপুর অঞ্চলের আঞ্চলিক বীজ প্রত্যয়ন অফিসার ড. পলাশ সরকার, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিনা, রংপুরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. রফিকুল ইসলাম, বিনার গবেষণা কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো: মাহবুবুল আলম তরফদার, উপ-পরিচালক ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ আশিকুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন মিঠাপুকুর উপজেলা কৃষি অফিসার মো: লোকমান হেকিম। মাঠ দিবসে অত্র এলাকার কৃষকরা সহ
সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।




























