বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ও রংপুর জেলা প্রশাসকের যৌথ উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ
বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ও রংপুর জেলা প্রশাসক ড.চিত্রলেখা নাজনীন এর যৌথ উদ্যোগে মিঠাপুকুর উপজেলার ১নং খোরাগাছ ইউনিয়নের রূপসী গ্রামে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।
প্রথমধাপে রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ১নং খোরাগাছ ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড রূপসী গ্রামে এবং দ্বিতীয় ধাপে সন্ধ্যার পরে রংপুর মহানগরীর ৩০ নং ওয়ার্ড বালাটারীতে কম্বল বিতরণ করা হয়। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ সাংবাদিক সংগঠন বাংলাদেশ প্রেসক্লাব গভ: রেজি: ৯৮৭৩৬/১২ এর উদ্যোগে এবং রংপুর জেলা প্রশাসক ড.চিত্রলেখা নাজনীন এর ব্যক্তিগত সহযোগিতায়, রূপসী গ্রামে অসহায় হতদরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন। এবং দ্বিতীয় ধাপে বাংলাদেশ প্রেসক্লাব রংপুর জেলা শাখা এবং সাতমাথা কঞ্জুমার্স কো-অপারেটিভ সোসাইটি লি: এর যৌথ উদ্যোগে বালাটারী রেলগেট এলাকার সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রেসক্লাব রংপুর জেলা শাখার সভাপতি সাংবাদিক এনামুল হক স্বাধীন, রংপুর মহানগর শাখার সভাপতি সাংবাদিক রোস্তম আলী সরকার, জেলা শাখার সহ-সভাপতি দৈনিক গণকন্ঠের বিশেষ প্রতিনিধি সাংবাদিক আতিকুর রহমান আতিক। যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক নুর-ই রাব্বি, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন মির্জা সুমন, কোষাধ্যক্ষ সাংবাদিক মোশাররফ হোসেন, দপ্তর সম্পাদক হারুন-অর-রশিদ বাবু, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মশিউর রহমান, স্বাস্থ বিষয়ক সম্পাদক জুয়েল ইসলাম, সদস্য মো: আবু রায়হান, আকাশ চন্দ্র পাপ্পু হীমেল কুমার মিত্র।
বাংলাদেশ প্রেসক্লাব রংপুর জেলা শাখার উদ্যোগে শীর্তাত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছেন।
শীতবস্ত্র বিতরণের পূর্বে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ প্রেসক্লাব জেলা শাখার সভাপতি সাংবাদিক এনামুল হক স্বাধীন বলেন, রংপুর জেলার ৮টি উপজেলায় বাংলাদেশ প্রেসক্লাব জেলা শাখার পক্ষ থেকে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিটের শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি অব্যহত রেখেছি। আমাদের সাধারণ সদস্যের খুদ্র প্রয়াসে আমরা সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। বেশ কয়েকদিন যাবৎ ফান্ড ছিলনা বলে বেশ হতাশায় ছিলাম আমরা।
রংপুর জেলা শাখার সহ-সভাপতি সাংবাদিক আতিকুর রহমান আতিক বলেন, বাংলাদেশ প্রেসক্লাব জন্মলগ্ন থেকেই মানুষের জন্য, মানবতার জন্য, মানবাধিকারের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। যার ফলশ্রুতিতে আমরা আজ এই রূপসী গ্রামে আসতে পেরেছি। আমি কৃতজ্ঞতা জানাই রংপুর জেলা প্রশাসক ড. চিত্রলেখা নাজনীন মহোদয়কে। যিনি শীতার্ত অসহায় হতদরিদ্র রূপসী গ্রামের নাম শুনেই আমাদেরকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছেন। আমরা এই রূপসী গ্রামের প্রায় ৪ শতাধিক মানুষের সাথে কথা বলে বেশ কিছু প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছি। যা আসলে অনাকাঙ্ক্ষিত ও বেশ হতাশার! সাম্প্রতিক সময়ে গণমানুষের কল্যাণে বাংলাদেশ সরকার যেভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, সেই ধারাবাহিকতার কোন ছোঁয়া লাগেনি এই রূপসী-তে! এখানে আমরা দেখেছি ৮০ বছরের বৃদ্ধার কপালে এখনো মিলেনি বয়স্ক ভাতা। একই পরিবারে ৩ প্রতিবন্ধীর কেউ পায়নি সরকারি সুযোগ। কৃষক পরিবারের ৭ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীর ক্যান্সার চিকিৎসার খরচ বহন করার স্বাধ্য নেই অভাবি পরিবারের।
দেলোয়ার হোসেন, ফেনী পরশুরাম উপজেলা প্রতিনিধি: ফেনী জেলা পরশুরাম উপজেলার উত্তর কাউতলী বটতলায় ইসলামিয়া সিনিয়র…
ফখরুল আলম সাজু নওগাঁ জেলা বদলগাছী উপজেলা এ খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে ১ শিশুকে ধর্ষণ ও…
মোঃ ইসমাইল হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার: নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে সশস্ত্র হামলার ঘটনায় চারজন…
মোঃ রাব্বি হাসান দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি: দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর এখনো বাড়ানো…
ফখরুল আলম সাজু সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলায় নিজ বসত ঘরে বিদ্যুতের কাজ করতে গিয়ে আরশ…
জান্নাতুল ফাহিমা তানহা, নিজস্ব প্রতিনিধি: নেত্রকোনা জেলা মদন উপজেলায় মারুফা আক্তার (২৭) নামের ১ নার্সের…
This website uses cookies.