মোঃ মকবুলার রহমান নীলফামারী জেলা প্রতিনিধ
২৪১ জন যাত্রীর প্রাণহানির মর্মান্তিক এয়ার ইন্ডিয়া দুর্ঘটনায় অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক বিশোয়াস কুমার রমেশ। লন্ডনগামী বোয়িং ৭৮৭ বিমানের ১১এ আসনে থাকা এই যাত্রীর বেঁচে ফেরার কাহিনি যেন সিনেমার চিত্রনাট্যকেও হার মানায়।
ভারতের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম ডিডি নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমি ভাবতেই পারিনি আমি বেঁচে আছি। মনে হচ্ছিল মৃত্যু একদম সামনে। চোখ মেলতেই দেখি চারপাশ ধোঁয়ায় ঢেকে আছে।”
তিনি জানান, বিমানের যে অংশে তিনি ছিলেন, সেটি হস্টেল ভবনের সঙ্গে সংঘর্ষে ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। “আমার দরজাটা একদম ভেঙে পড়েছিল। একটা ফাঁকা জায়গা দেখে আমি সেখান দিয়েই হামাগুড়ি দিয়ে বের হই,” বলেন তিনি। সিটবেল্ট খুলে বিমানের গায়ে আগুন ছড়িয়ে পড়ার আগেই বের হয়ে আসতে পেরেছিলেন রমেশ।
বিমানের ক্রু ও সহযাত্রীদের করুণ মৃত্যুও দেখেছেন নিজের চোখে। তার বাঁ হাত পুড়ে গেলেও প্রাণে বেঁচে যাওয়াটাকেই ঈশ্বরের কৃপা বলে মনে করেন তিনি। দুর্ঘটনার পর রক্তাক্ত ও আহত রমেশের হেঁটে যাওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা অল্প সময়েই ভাইরাল হয়।
ঘটনার পরপরই তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। শুক্রবার সকালে আহমেদাবাদের সিভিল হাসপাতালে গিয়ে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজে তার সঙ্গে দেখা করেন এবং চিকিৎসার খোঁজ-খবর নেন।
বিশ্ববাসীর কাছে মি. রমেশ এখন কেবল একজন দুর্ঘটনাবিজয়ী নন—তিনি জীবনের প্রতি নতুন করে আস্থার এক নিখাদ প্রতীক।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক হোসেন মঞ্জিল, ৬/১, ধলপুর, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : হোসেন মঞ্জিল, ৬/১, ধলপুর, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪, বাংলাদেশ। সাব-হেড অফিস: টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২