ঢাকা ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রক্ত দিয়ে ফেরার পথে সড়কে প্রাণ গেলো রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি রবিউলের কিশোরগঞ্জে নকল ঔষধ কারখানায় অভিযান ও জরিমানা ‎জলঢাকায় বুড়িতিস্তা নদী খনন প্রকল্পের কার্যক্রম দ্রুত চালুর ও মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ নোয়াখালী বেগমগঞ্জ উপজেলার আলাইয়ারপুরে কবরস্থান থেকে বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার নির্বাচনে নাশকতার সন্দেহ মনোহরদীতে বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত রাজবাড়ীতে ননদের কামড়ে ছিড়ে গেছে ভাবীর ঠোঁট নিজ বাড়ি থেকে মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁর স্ত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার মনোহরদীতে মোটরসাইকেল চাপায় মাদ্রাসা সুপার নিহত দেশের সবকিছুর ভিত্তি আইনশৃঙ্খলা শুরুতে সমস্যা থাকলেও এখন ভালো অবস্থা পররাষ্ট্র উপদেষ্টা রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় “শান্তিতে থাকবো” অপরকে শান্তিতে রাখবো সামাজিক সংগঠন এর উদ্যোগ শীতবস্ত্র বিতরণ

ছাত্রদল সভাপতির নেতৃত্বে নোয়াখালী সরকারি কলেজে হামলা, ভাঙচুর ও শিক্ষক হেনস্তার স্বীকার।

নুর উদ্দিন সিয়াম নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি।
  • আপডেট সময় : ০৮:০৪:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫ ১৩২ বার পড়া হয়েছে

ছাত্রদল সভাপতির নেতৃত্বে নোয়াখালী সরকারি কলেজে হামলা, ভাঙচুর ও শিক্ষক হেনস্তার স্বীকার।

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নুর উদ্দিন সিয়াম নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি।

নোয়াখালী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি রাশেদুল ইসলাম সোহাগ কর্তৃক কলেজে হামলা, ভাঙচুরশিক্ষক লাঞ্চনার ঘটনা ঘটেছে।
আজ সোমবার (৫-মে) দুপুরে নোয়াখালী সরকারি কলেজের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অফিসকক্ষে এ হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। এসময় নোয়াখালী সরকারি কলেজের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এবং আব্দুস সালাম হলের হল সুপার মোঃ আনোয়ার হোসেনকে লাঞ্চিত করা হয়।

জানা যায়, নিয়ম লঙ্ঘন করে ছাত্রদলের সুপারিশকৃত ছাত্রকে হলে না উঠানোর জের ধরে মুলত এ ঘটনা। এ ঘটনার পর কলেজেশিক্ষক, শিক্ষার্থীদের মাঝে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে।
এবিষয়ে জানতে চাওয়া হলে হেনস্তার স্বীকার নোয়াখালী সরকারি কলেজের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, কয়েকদিন হলো আমি কলেজ হলের দায়িত্ব পেয়েছি। ছাত্রদলের সভাপতি সোহাগ এসে আমাকে একটা ছেলেকে হলে উঠানোর বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে তখন আমি বলি নিয়ম ম্যান্টিং করে আবেদন অনুযায়ী সবাইকে হলে উঠানে হবে। তখন সে আমাকে হুমকিধামকি ও উচ্চবাচ্য শুরু করে। আমি তাকে সংযত আচরণ করতে বললে তখন সে আরো উত্তেজিত হয়ে আমার কক্ষের টেবিল ও আসবাবপত্র ভাংচুর করে। এবং বলে যে এটা তার এলাকা, আমাকে দেখে নিবে।
এবিষয়ে জানতে চাইলে নোয়াখালী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি রাশেদুল ইসলাম সোহাগ বলেন, ভাঙচুরের কোন ঘটনা ঘটেনি শুধুমাত্র একটু চেঁচামেচি করেছিলাম। আর তাছাড়া শিবির পন্থী।

এবিষয়ে জানার জন্য নোয়াখালী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর জাকির হোসেন কে একাধিকবার কল করা হলেও মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি তাই বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ছাত্রদল সভাপতির নেতৃত্বে নোয়াখালী সরকারি কলেজে হামলা, ভাঙচুর ও শিক্ষক হেনস্তার স্বীকার।

আপডেট সময় : ০৮:০৪:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫

নুর উদ্দিন সিয়াম নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি।

নোয়াখালী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি রাশেদুল ইসলাম সোহাগ কর্তৃক কলেজে হামলা, ভাঙচুরশিক্ষক লাঞ্চনার ঘটনা ঘটেছে।
আজ সোমবার (৫-মে) দুপুরে নোয়াখালী সরকারি কলেজের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অফিসকক্ষে এ হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। এসময় নোয়াখালী সরকারি কলেজের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এবং আব্দুস সালাম হলের হল সুপার মোঃ আনোয়ার হোসেনকে লাঞ্চিত করা হয়।

জানা যায়, নিয়ম লঙ্ঘন করে ছাত্রদলের সুপারিশকৃত ছাত্রকে হলে না উঠানোর জের ধরে মুলত এ ঘটনা। এ ঘটনার পর কলেজেশিক্ষক, শিক্ষার্থীদের মাঝে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে।
এবিষয়ে জানতে চাওয়া হলে হেনস্তার স্বীকার নোয়াখালী সরকারি কলেজের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, কয়েকদিন হলো আমি কলেজ হলের দায়িত্ব পেয়েছি। ছাত্রদলের সভাপতি সোহাগ এসে আমাকে একটা ছেলেকে হলে উঠানোর বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে তখন আমি বলি নিয়ম ম্যান্টিং করে আবেদন অনুযায়ী সবাইকে হলে উঠানে হবে। তখন সে আমাকে হুমকিধামকি ও উচ্চবাচ্য শুরু করে। আমি তাকে সংযত আচরণ করতে বললে তখন সে আরো উত্তেজিত হয়ে আমার কক্ষের টেবিল ও আসবাবপত্র ভাংচুর করে। এবং বলে যে এটা তার এলাকা, আমাকে দেখে নিবে।
এবিষয়ে জানতে চাইলে নোয়াখালী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি রাশেদুল ইসলাম সোহাগ বলেন, ভাঙচুরের কোন ঘটনা ঘটেনি শুধুমাত্র একটু চেঁচামেচি করেছিলাম। আর তাছাড়া শিবির পন্থী।

এবিষয়ে জানার জন্য নোয়াখালী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর জাকির হোসেন কে একাধিকবার কল করা হলেও মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি তাই বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।