ঢাকা ০১:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নড়াইলে ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেফতার বেইলি রোডের আগুন নিয়ন্ত্রণে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেছেন র‍্যাব-৩ নাটোরের লালপুর তাফসীর মাহফিলে খৃষ্টান যুবকের ইসলাম ধর্ম গ্রহন নারায়ণগঞ্জ  শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বইমেলায় কবিদের উত্তরীয় দিয়ে বরণ কুড়িগ্রামে ৫.১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার কৃষক হত্যা মামলায় জয়পুরহাটে ৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কুড়িগ্রামের উলিপুরে রাস্তা পাকা করন কাজের উদ্বোধন গাজীপুরে মাদ্রাসার সুপার ও সভাপতির দূর্ণীতি, অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন নড়াইলের শান্তা সেনের মেডেকেল শিক্ষা জীবন সম্পন্ন করতে দারিদ্র বাবা-মায়ের দুঃশিন্তা নড়াইলে শিশু নুসরাত হত্যার রহস্য উদঘাটন ঘাতক সৎ মা গ্রেফতার

শেরপুরে মহাসড়কে হাইওয়ে পুলিশের উচ্ছেদ অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:৪০:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ৩৪ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

শেরপুরে উপজেলার মির্জাপুর বাজারস্ত হাইওয়ে মহাসড়কে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা দোকানপাট ও খাবার হোটেল উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্প। রোববার বেলা ১১টায় মির্জাপুর বাজার এর সামনে থেকে এ উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। দুপুর দেড়টা পর্যন্ত ৪শ মিটার রাস্তার শতাধিক দোকান উচ্ছেদ করা হয়। উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল ফয়সল, এ সময় উপস্থিত ছিলেন সার্জেন্ট মাসুদ রানা, ফরিদুজ্জামানসহ অন্যন্য পুলিশ কর্মকর্তা। আবুল ফয়সল বলেন, বেশ কয়েকদিন যাবত মির্জাপুর বাজার এলাকায় হাইওয়ে মহাসড়কের রাস্তা অবৈধভাবে দখল করে বিভিন্ন ধরনের দোকানাপাট, খাবার হোটেল গড়ে তুলেছিল যার ফলে গাড়ি চলাচলে নান সময় দূর্ঘটনা ও রাস্তায় যানযটের সৃষ্টি হচ্ছিল। যানযট মুক্ত রাস্তা রাখতে হাইওয়ে মহাসড়ক প্রসস্থ্য করার পর থেকেই এ সকল দোকানাপাট স্থাপন করা হয়। উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার পূর্বে দোকান পাট অন্যত্র সড়ানোর জন্য বেশ কয়েকদিন ধরে তাদের বলা হলেও কোন কর্নপাত করেনি দোকান মালিকরা। তাদের বলা হয়েছিল মহাসড়ক থেকে হকাররা যেন দোকান নিয়ে যায়। তা না হলে উচ্ছেদ করা হবে। পূর্বের ঘোষণা অনুযায়ী এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।’ আমরা আসার আগেই তারা বেশির ভাগ মালপত্র সরিয়ে ফেলে।
তিনি বলেন, ‘হাইওয়ে মহাসড়কের ধুনটমোড়, শেরুয়াবটতলা এলাকাসহ হাইওয়ে মহাসড়কের পুরো এলাকায় আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা অভিযান শুরু করার আগে ব্যবসায়ীদের সময় বেঁধে দিয়েছিলাম। অনেকেই তাদের মালামাল সরিয়ে নিয়েছেন। কিন্তু ভাসমান দোকান ও চৌকি সারাননি। আমরা বুলডোজার দিয়ে এসব গুড়িয়ে দিচ্ছি, মাটিগুলো সমান করে দিয়েছি যেন গাড়ি সরে যাওয়ার পর আবার বসতে না পারে। ’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে বলেন, একটি চক্র হাইওয়ে মহাসড়কে ও রাস্তায় দোকান বসিয়ে প্রতিদিন এখান থেকে চাঁদা আদায় করে। হকার উচ্ছেদ অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন বেশিরভাগ মানুষ। ‘ব্যবসা করার বিরুদ্ধে কারোরই অবস্থান নেই কিন্তু সেটা হাইওয়ে মহাসড়কের জায়গা ও ফুটপাত দখল করে কেন হবে? হাইওয়ে পুলিশের এ কাজের জন্য সাধারণ মানুষ উপকৃত হবে বলে এলকাবাসী জানান। তারা আরও বলেন হাওয়ে মহাসড়কের যায়গায় দোকান থাকলে গাড়ি চলাচল করতে পারে না এমনকি বড় ধরনে সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে। মহাসড়কে দোকান পাট ও খাবার হোটেল না থাকাই ভাল।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

শেরপুরে মহাসড়কে হাইওয়ে পুলিশের উচ্ছেদ অভিযান

আপডেট সময় : ০৫:৪০:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

শেরপুরে উপজেলার মির্জাপুর বাজারস্ত হাইওয়ে মহাসড়কে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা দোকানপাট ও খাবার হোটেল উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্প। রোববার বেলা ১১টায় মির্জাপুর বাজার এর সামনে থেকে এ উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। দুপুর দেড়টা পর্যন্ত ৪শ মিটার রাস্তার শতাধিক দোকান উচ্ছেদ করা হয়। উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল ফয়সল, এ সময় উপস্থিত ছিলেন সার্জেন্ট মাসুদ রানা, ফরিদুজ্জামানসহ অন্যন্য পুলিশ কর্মকর্তা। আবুল ফয়সল বলেন, বেশ কয়েকদিন যাবত মির্জাপুর বাজার এলাকায় হাইওয়ে মহাসড়কের রাস্তা অবৈধভাবে দখল করে বিভিন্ন ধরনের দোকানাপাট, খাবার হোটেল গড়ে তুলেছিল যার ফলে গাড়ি চলাচলে নান সময় দূর্ঘটনা ও রাস্তায় যানযটের সৃষ্টি হচ্ছিল। যানযট মুক্ত রাস্তা রাখতে হাইওয়ে মহাসড়ক প্রসস্থ্য করার পর থেকেই এ সকল দোকানাপাট স্থাপন করা হয়। উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার পূর্বে দোকান পাট অন্যত্র সড়ানোর জন্য বেশ কয়েকদিন ধরে তাদের বলা হলেও কোন কর্নপাত করেনি দোকান মালিকরা। তাদের বলা হয়েছিল মহাসড়ক থেকে হকাররা যেন দোকান নিয়ে যায়। তা না হলে উচ্ছেদ করা হবে। পূর্বের ঘোষণা অনুযায়ী এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।’ আমরা আসার আগেই তারা বেশির ভাগ মালপত্র সরিয়ে ফেলে।
তিনি বলেন, ‘হাইওয়ে মহাসড়কের ধুনটমোড়, শেরুয়াবটতলা এলাকাসহ হাইওয়ে মহাসড়কের পুরো এলাকায় আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা অভিযান শুরু করার আগে ব্যবসায়ীদের সময় বেঁধে দিয়েছিলাম। অনেকেই তাদের মালামাল সরিয়ে নিয়েছেন। কিন্তু ভাসমান দোকান ও চৌকি সারাননি। আমরা বুলডোজার দিয়ে এসব গুড়িয়ে দিচ্ছি, মাটিগুলো সমান করে দিয়েছি যেন গাড়ি সরে যাওয়ার পর আবার বসতে না পারে। ’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে বলেন, একটি চক্র হাইওয়ে মহাসড়কে ও রাস্তায় দোকান বসিয়ে প্রতিদিন এখান থেকে চাঁদা আদায় করে। হকার উচ্ছেদ অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন বেশিরভাগ মানুষ। ‘ব্যবসা করার বিরুদ্ধে কারোরই অবস্থান নেই কিন্তু সেটা হাইওয়ে মহাসড়কের জায়গা ও ফুটপাত দখল করে কেন হবে? হাইওয়ে পুলিশের এ কাজের জন্য সাধারণ মানুষ উপকৃত হবে বলে এলকাবাসী জানান। তারা আরও বলেন হাওয়ে মহাসড়কের যায়গায় দোকান থাকলে গাড়ি চলাচল করতে পারে না এমনকি বড় ধরনে সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে। মহাসড়কে দোকান পাট ও খাবার হোটেল না থাকাই ভাল।