ঢাকা ১০:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঘায় সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত। কুড়িগ্রামে ট্রাক চাপায় প্রাণ গেলো ইস্কুল শিক্ষার্থীর শিশু অপহরণ মামলার যাবজ্জীবন আসামি ১৩ বছর পর গ্রেফতার যুগান্তরের ২৫ বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠান লালপুরে মেধাবীদের শিক্ষাবৃত্তি ও অসহায় নারীদের সেলাই মেশিন বিতরণ মাদকমুক্ত ইন্দুরকানী গড়তে আমাদের করণীয় শীর্ষক’ আলোচনা সভা রিয়াদে Dxnএর আয়োজনে আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবস পালন ও সেমিনার অনুষ্ঠিত ওআইসি সদস্য দেশগুলোর তথ্যমন্ত্রীদের সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্কের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী নড়াইলে হারিয়ে যাওয়া ২০টি মোবাইল আনুষ্ঠানিকভাবে ভুক্তভোগীদের নিকট হস্তান্তর পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্ব অবহেলা পাঁচ শিক্ষককে অব্যাহতি ও দুই শিক্ষর্থীকে বহিস্কার

শিক্ষার গুরুত্বের প্রেক্ষাপটে যিনি উজ্জ্বল উদাহরণ

মুবিন বিন সোলাইমান চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৬:৪০:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ১৯৯ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মার্মা সমাজে বিবাহ একটি সামাজিক অনুষ্ঠান। সমাজে স্বীকৃত বিবাহের পূর্বশর্ত হচ্ছে ‘চুং-মাং-লে’ বা ‘গংউ নাইট’ অনুষ্ঠান। পাত্রপক্ষ একটি থকিং (থামী), রূপা বা স্বর্ণের একটি আংটি দিয়ে পাত্রীকে আশীর্বাদ করেন। সামাজিক বিবাহের দ্বিতীয় পর্ব পাত্রপক্ষের উদ্যোগে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা পদুয়া ইউনিয়ন পেকুয়া পাহাড়ি মার্মা পল্লির সব চেয়ে উচ্চ শিক্ষিত বর সাইমাং মার্মার সাথে বান্দরবন উদালবনিয়ার কনে আপ্রূ মার্মার সাথে সামাজিক রীতিনিয়ম মেনে বিবাহউত্তর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

গত ১৭ই ফেব্রুয়ারি শুক্রবার ২০২৩ইং তারিখ পটিয়া কেলিশহর সীমান্তবর্তী পদুয়া পেকুয়া মার্মা পল্লি দর্গম এলাকাটি অপরুপ সাজে সেজেছে সাইমাং মার্মার বাড়িতে, পরিবারটির আত্মীয়-স্বজন ও পাড়াপর্শীদের উপস্থিতিতে মুখরিত হয়ে ওঠে, অনুষ্ঠানে অন্যনার মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, রুপালি রাঙ্গুনিয়া পত্রিকার সম্পাদক সাংবাদিক এনায়তুর রহিম, দৈনিক আমার সময় পত্রিকায় স্টাফ রিপোর্টার মুবিন বিন সোলাইমান, দৈনিক একুশে সংবাদ পত্রিকার রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি, সানি বড়ুয়া। দৈনিক আজকালের সংবাদ পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি আল মামুন সহ আরো অনেকে শুভাকাঙ্ক্ষী।

উল্লেখ্য, পদুয়া ইউনিয়নে মার্মার পল্লির উদীয়নমান শিক্ষিত তরুণ সাইমাং মার্মাই এই এলাকার একমাত্র উচ্চ শিক্ষিত ব্যক্তি। ২০০৪ সালের এস.এস.সি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। পরীক্ষা কেন্দ্র দূরবর্তী হওয়ায় রাত দুইটায় ঘর থেকে বের হতো। তখন ছিলনা বিদুৎ ব্যবস্থা, ছিলনা সোলার সিষ্টেমও,হারিকেনের আলোতে পড়ালেখা চালিয়ে যেতে হতো। কেরোসিন না থাকলে দিনের আলোতেই পড়ালেখা শেষ করতে হতো। ঐ এলাকাতে সাইমাং মার্মা একাই স্রোতের প্রতিকূলে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শেষে সর্বশেষ চট্টগ্রাম সরকারি কমার্স কলেজ থেকে ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে ২০১২ সালে পোস্ট গ্রেজুয়েশন সম্পন্ন করে।

কর্মজীবনে সাইমাং মার্মা প্রথম আবুল খায়ের গ্রুপে চাকুরি শুরু করে, বর্তমানে ঢাকা আহছানিয়া মিশনে শিক্ষা প্রকল্পে অফিসার ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত।

সাইমাং মার্মা বলেন, “এই এলাকাতে তরুণদের মধ্যে উদ্বুদ্ধ করে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে গত এক যুগ ধরে কাজ করে যাচ্ছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

শিক্ষার গুরুত্বের প্রেক্ষাপটে যিনি উজ্জ্বল উদাহরণ

আপডেট সময় : ০৬:৪০:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

মার্মা সমাজে বিবাহ একটি সামাজিক অনুষ্ঠান। সমাজে স্বীকৃত বিবাহের পূর্বশর্ত হচ্ছে ‘চুং-মাং-লে’ বা ‘গংউ নাইট’ অনুষ্ঠান। পাত্রপক্ষ একটি থকিং (থামী), রূপা বা স্বর্ণের একটি আংটি দিয়ে পাত্রীকে আশীর্বাদ করেন। সামাজিক বিবাহের দ্বিতীয় পর্ব পাত্রপক্ষের উদ্যোগে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা পদুয়া ইউনিয়ন পেকুয়া পাহাড়ি মার্মা পল্লির সব চেয়ে উচ্চ শিক্ষিত বর সাইমাং মার্মার সাথে বান্দরবন উদালবনিয়ার কনে আপ্রূ মার্মার সাথে সামাজিক রীতিনিয়ম মেনে বিবাহউত্তর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

গত ১৭ই ফেব্রুয়ারি শুক্রবার ২০২৩ইং তারিখ পটিয়া কেলিশহর সীমান্তবর্তী পদুয়া পেকুয়া মার্মা পল্লি দর্গম এলাকাটি অপরুপ সাজে সেজেছে সাইমাং মার্মার বাড়িতে, পরিবারটির আত্মীয়-স্বজন ও পাড়াপর্শীদের উপস্থিতিতে মুখরিত হয়ে ওঠে, অনুষ্ঠানে অন্যনার মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, রুপালি রাঙ্গুনিয়া পত্রিকার সম্পাদক সাংবাদিক এনায়তুর রহিম, দৈনিক আমার সময় পত্রিকায় স্টাফ রিপোর্টার মুবিন বিন সোলাইমান, দৈনিক একুশে সংবাদ পত্রিকার রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি, সানি বড়ুয়া। দৈনিক আজকালের সংবাদ পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি আল মামুন সহ আরো অনেকে শুভাকাঙ্ক্ষী।

উল্লেখ্য, পদুয়া ইউনিয়নে মার্মার পল্লির উদীয়নমান শিক্ষিত তরুণ সাইমাং মার্মাই এই এলাকার একমাত্র উচ্চ শিক্ষিত ব্যক্তি। ২০০৪ সালের এস.এস.সি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। পরীক্ষা কেন্দ্র দূরবর্তী হওয়ায় রাত দুইটায় ঘর থেকে বের হতো। তখন ছিলনা বিদুৎ ব্যবস্থা, ছিলনা সোলার সিষ্টেমও,হারিকেনের আলোতে পড়ালেখা চালিয়ে যেতে হতো। কেরোসিন না থাকলে দিনের আলোতেই পড়ালেখা শেষ করতে হতো। ঐ এলাকাতে সাইমাং মার্মা একাই স্রোতের প্রতিকূলে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শেষে সর্বশেষ চট্টগ্রাম সরকারি কমার্স কলেজ থেকে ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে ২০১২ সালে পোস্ট গ্রেজুয়েশন সম্পন্ন করে।

কর্মজীবনে সাইমাং মার্মা প্রথম আবুল খায়ের গ্রুপে চাকুরি শুরু করে, বর্তমানে ঢাকা আহছানিয়া মিশনে শিক্ষা প্রকল্পে অফিসার ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত।

সাইমাং মার্মা বলেন, “এই এলাকাতে তরুণদের মধ্যে উদ্বুদ্ধ করে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে গত এক যুগ ধরে কাজ করে যাচ্ছি।