ঢাকা ০৯:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঘায় সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত। কুড়িগ্রামে ট্রাক চাপায় প্রাণ গেলো ইস্কুল শিক্ষার্থীর শিশু অপহরণ মামলার যাবজ্জীবন আসামি ১৩ বছর পর গ্রেফতার যুগান্তরের ২৫ বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠান লালপুরে মেধাবীদের শিক্ষাবৃত্তি ও অসহায় নারীদের সেলাই মেশিন বিতরণ মাদকমুক্ত ইন্দুরকানী গড়তে আমাদের করণীয় শীর্ষক’ আলোচনা সভা রিয়াদে Dxnএর আয়োজনে আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবস পালন ও সেমিনার অনুষ্ঠিত ওআইসি সদস্য দেশগুলোর তথ্যমন্ত্রীদের সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্কের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী নড়াইলে হারিয়ে যাওয়া ২০টি মোবাইল আনুষ্ঠানিকভাবে ভুক্তভোগীদের নিকট হস্তান্তর পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্ব অবহেলা পাঁচ শিক্ষককে অব্যাহতি ও দুই শিক্ষর্থীকে বহিস্কার

রামেকে চিকিৎসাধীন অঙ্গাতনামা সেই কিশোর আর নেই

মোঃ মারজুক রহমান রিদয় রাজশাহী সদর প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:১৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ মে ২০২৩ ৬৬ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল অজ্ঞাতনামা এক কিশোর। তার কোনো স্বজন না থাকায় হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরাই দেখাশোনা করেন।
কিন্তু মঙ্গলবার দিবাগত রাতে মারা গেছে অজ্ঞাতনামা সেই কিশোর। ৩ মে অচেতন অবস্থায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিল।

ওই কিশোরের পরিচয় জানার জন্য সব ধরনের আইনি ব্যবস্থা নেয়া হরেও শনাক্ত করা যায়নি। ২ মে সকালে ওই কিশোরকে পাবনার মুলাডুলি রেললাইনের পাশ থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তির সময় তার পরনে ছিল বাদামি রঙের প্যান্ট। শরীরের ওপরের অংশে কোনো পোশাক ছিল না। তার বয়স আনুমানিক ১৫ বছর।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ২ মে সকাল ১০ টার দিকে অচেতন অবস্থায় ওই কিশোরকে উদ্ধার করে পুলিশ। পরে তাকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
সেখান থেকে স্থানান্তর করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরো সার্জারি ওয়ার্ডে নেয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ ইনর্চাজ আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, তিনি ৩ মে ও ৭ মে ওই কিশোরের সিটি স্ক্যান করান। তার মাথায় বড় ধরনের আঘাত ছিল।
মাথায় এত বড় আঘাতে মানুষের বাঁচার সম্ভাবনা খুব কম থাকে। লাইফ সাপোর্ট লাগানো হয়। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং শিশু আইসিইউয়ের নিজস্ব তহবিল থেকে চিকিৎসার সর্বোচ্চ ব্যবস্থা করা হয়।

এছাড়া সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, পরিচয় উদ্ধার করার জন্য সব ধরনের পদক্ষেপও নেয়া হয়। তবে শেষ পর্যন্ত ওই কিশোরকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
আবু হেনা মোস্তফা কামাল আরও বলেন, গতকাল দিবাগত রাত দেড়টার দিকে সবাইকে কাঁদিয়ে ওই কিশোর পৃথিবী ছেড়ে চলে গেল। এর আগে অনেকেই ওই কিশোরকে নিজের সন্তান দাবি করে হাসপাতালে দেখতে আসেন।
তবে শেষ পর্যন্ত ওই কিশোরকে চিনতে না পারায় সবাই ফিরে যান। বর্তমানে ওই কিশোরের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

রামেকে চিকিৎসাধীন অঙ্গাতনামা সেই কিশোর আর নেই

আপডেট সময় : ০৫:১৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ মে ২০২৩

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল অজ্ঞাতনামা এক কিশোর। তার কোনো স্বজন না থাকায় হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরাই দেখাশোনা করেন।
কিন্তু মঙ্গলবার দিবাগত রাতে মারা গেছে অজ্ঞাতনামা সেই কিশোর। ৩ মে অচেতন অবস্থায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিল।

ওই কিশোরের পরিচয় জানার জন্য সব ধরনের আইনি ব্যবস্থা নেয়া হরেও শনাক্ত করা যায়নি। ২ মে সকালে ওই কিশোরকে পাবনার মুলাডুলি রেললাইনের পাশ থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তির সময় তার পরনে ছিল বাদামি রঙের প্যান্ট। শরীরের ওপরের অংশে কোনো পোশাক ছিল না। তার বয়স আনুমানিক ১৫ বছর।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ২ মে সকাল ১০ টার দিকে অচেতন অবস্থায় ওই কিশোরকে উদ্ধার করে পুলিশ। পরে তাকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
সেখান থেকে স্থানান্তর করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরো সার্জারি ওয়ার্ডে নেয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ ইনর্চাজ আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, তিনি ৩ মে ও ৭ মে ওই কিশোরের সিটি স্ক্যান করান। তার মাথায় বড় ধরনের আঘাত ছিল।
মাথায় এত বড় আঘাতে মানুষের বাঁচার সম্ভাবনা খুব কম থাকে। লাইফ সাপোর্ট লাগানো হয়। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং শিশু আইসিইউয়ের নিজস্ব তহবিল থেকে চিকিৎসার সর্বোচ্চ ব্যবস্থা করা হয়।

এছাড়া সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, পরিচয় উদ্ধার করার জন্য সব ধরনের পদক্ষেপও নেয়া হয়। তবে শেষ পর্যন্ত ওই কিশোরকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
আবু হেনা মোস্তফা কামাল আরও বলেন, গতকাল দিবাগত রাত দেড়টার দিকে সবাইকে কাঁদিয়ে ওই কিশোর পৃথিবী ছেড়ে চলে গেল। এর আগে অনেকেই ওই কিশোরকে নিজের সন্তান দাবি করে হাসপাতালে দেখতে আসেন।
তবে শেষ পর্যন্ত ওই কিশোরকে চিনতে না পারায় সবাই ফিরে যান। বর্তমানে ওই কিশোরের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।