ঢাকা ১১:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪, ২৯ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈদুল ফিতরের দিনের ফজিলত, সুন্নত, করণীয় ও বর্জনীয় ইতালির ভেনিসে প্রথম এবং প্রাচীনতম ভেনিস বাংলা প্রেস ক্লাব ইতালির উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বগুড়া শেরপুর নদী থেকে, এক বস্তা দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার। মিরপুরে তিন শতাধিক পথশিশুদের মাঝে ইফতার বিতরণ করল উইনসাম স্মাইল ফাউন্ডেশন কুমারখালী ব্লাড ডোনেশনের ঈদ উপহার পৌঁছে গেল অসহায়দের বাড়ি বাড়ি রক্তের বন্ধন ঝাউগড়া শাখার নতুন কমিটি পরিচিতি সভার উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল বগুড়া শাহজাহানপুর উপজেলার চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান দুইটি আগ্নেয়  অস্ত্রসহ গ্রেফতার। গাজীপুর কাঁচামাল আড়্ৎদার মালিক গ্রুপ এর আয়োজনে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে যাকাতের বস্ত্র বিতরণ ২০২৪ অনুষ্ঠিত নড়াইলে পুলিশের পৃথক অভিযানে ইয়াবা ও সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার ৪ আমরা সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজদের নিয়ে রাজনীতি করিনা -হুইপ সানজিদা খানম

মসজিদের ইমামকে কেন্দ্র করে জঙ্গীবাদী কায়দায় মসজিদের ভিতরে ২ সহদরের উপর হামলা।

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর
  • আপডেট সময় : ১২:৪৩:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মার্চ ২০২৪ ২৮ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর।

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের ডাংরারহাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ঈমামকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন দুই সহদর। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশংকাজনক বলে জানিয়েছে তাদের স্বজনরা। শনিবার রাত ৭ টার দিকে মাগরিবের নামাজ আদায় করে মসজিদের ভিতর অবস্থান করছিলেন পাড়ামৌলা গ্রামের মাংস ব্যবসায়ী শরিফুল ইসলাম ও তার বড় ভাই শহিদ মিয়া।একই গ্রামের আবুল হাশেমের পুত্র খোকন (২৮) ও তার চাচা মাহবুব (৪০) পূর্ব ঘটনার জের ধরে মসজিদে প্রবেশ করে দুই সহদরের সাথে ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়েন। এরই এক পর্যায়ে খোকন ও তার চাচা মাহবুব অতর্কিতভাবে মসজিদের ভিতরেই শরিফুল ইসলাম ও শহিদ মিয়ার উপর হামলা করেন।আশপাশের মুসল্লিরা এগিয়ে এসেও তাদের হামলা থেকে রক্ষা করতে পারেননি। তাদের হামলায় গুরুতর আহত দুই ভাইকে রাজারহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে একজন কে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ওই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আরেক ভাই শহিদ মিয়ার অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। এঘটনায় এলাকাবাসী চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন। মসজিদের ভিতরে এহেন ন্যাক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ১জন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, হামলাকারী খোকন একজন উগ্রবাদী ও বদমেজাজী টাইপের ছেলে। এলাকার কাউকেই সম্মান দিতে জানেনা। কয়েকমাস পূর্বে তার বাবা ডাংরারহাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ওয়াক্তিয়া ইমাম ছিলেন,কিন্তু একজন ইমাম হিসাবে সবার নিকট গ্রহণযোগ্যতা না থাকায় তাকে মসজিদের ইমাম থেকে বাদ দেওয়া হয়। আর তাকে বাদ দেওয়ার পিছনে বেশী ভূমিকা পালন করেন শহিদ মিয়া ও শরিফুল ইসলাম। তখন থেকে বাবার অপমানের প্রতিশোধ নিতে মরিয়া হয়ে থাকেন উগ্রবাদী বদ মেজাজী খোকন। তিনি আরও জানান এই উগ্রবাদী বদমেজাজী ছেলের বিরুদ্ধে এখনই কঠোর আইনী ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে বলে সংশয় প্রকাশ করেন। পরে শরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে রায়হানুল ইসলাম খোকন ও মাহাবুবুর রহমান কে প্রধান আসামি করে শনিবার রাতে রাজারহাট থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

এই বিষয়ে মাহবুব রহমান জানান , শরিফুল ইসলাম ও শহিদ মিয়া, আমার ভাতিজাকে মারধোর করছে আমি আগাইতে গেলে আমিও হামলা শিকার হই। এখন দেখি আমার নামেই অভিযোগ করেছে। সমস্যা নেই দেখা যাক কি হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মসজিদের ইমামকে কেন্দ্র করে জঙ্গীবাদী কায়দায় মসজিদের ভিতরে ২ সহদরের উপর হামলা।

আপডেট সময় : ১২:৪৩:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মার্চ ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর।

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের ডাংরারহাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ঈমামকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন দুই সহদর। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশংকাজনক বলে জানিয়েছে তাদের স্বজনরা। শনিবার রাত ৭ টার দিকে মাগরিবের নামাজ আদায় করে মসজিদের ভিতর অবস্থান করছিলেন পাড়ামৌলা গ্রামের মাংস ব্যবসায়ী শরিফুল ইসলাম ও তার বড় ভাই শহিদ মিয়া।একই গ্রামের আবুল হাশেমের পুত্র খোকন (২৮) ও তার চাচা মাহবুব (৪০) পূর্ব ঘটনার জের ধরে মসজিদে প্রবেশ করে দুই সহদরের সাথে ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়েন। এরই এক পর্যায়ে খোকন ও তার চাচা মাহবুব অতর্কিতভাবে মসজিদের ভিতরেই শরিফুল ইসলাম ও শহিদ মিয়ার উপর হামলা করেন।আশপাশের মুসল্লিরা এগিয়ে এসেও তাদের হামলা থেকে রক্ষা করতে পারেননি। তাদের হামলায় গুরুতর আহত দুই ভাইকে রাজারহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে একজন কে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ওই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আরেক ভাই শহিদ মিয়ার অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। এঘটনায় এলাকাবাসী চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন। মসজিদের ভিতরে এহেন ন্যাক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ১জন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, হামলাকারী খোকন একজন উগ্রবাদী ও বদমেজাজী টাইপের ছেলে। এলাকার কাউকেই সম্মান দিতে জানেনা। কয়েকমাস পূর্বে তার বাবা ডাংরারহাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ওয়াক্তিয়া ইমাম ছিলেন,কিন্তু একজন ইমাম হিসাবে সবার নিকট গ্রহণযোগ্যতা না থাকায় তাকে মসজিদের ইমাম থেকে বাদ দেওয়া হয়। আর তাকে বাদ দেওয়ার পিছনে বেশী ভূমিকা পালন করেন শহিদ মিয়া ও শরিফুল ইসলাম। তখন থেকে বাবার অপমানের প্রতিশোধ নিতে মরিয়া হয়ে থাকেন উগ্রবাদী বদ মেজাজী খোকন। তিনি আরও জানান এই উগ্রবাদী বদমেজাজী ছেলের বিরুদ্ধে এখনই কঠোর আইনী ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে বলে সংশয় প্রকাশ করেন। পরে শরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে রায়হানুল ইসলাম খোকন ও মাহাবুবুর রহমান কে প্রধান আসামি করে শনিবার রাতে রাজারহাট থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

এই বিষয়ে মাহবুব রহমান জানান , শরিফুল ইসলাম ও শহিদ মিয়া, আমার ভাতিজাকে মারধোর করছে আমি আগাইতে গেলে আমিও হামলা শিকার হই। এখন দেখি আমার নামেই অভিযোগ করেছে। সমস্যা নেই দেখা যাক কি হয়।