ঢাকা ১২:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নড়াইলে ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেফতার বেইলি রোডের আগুন নিয়ন্ত্রণে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেছেন র‍্যাব-৩ নাটোরের লালপুর তাফসীর মাহফিলে খৃষ্টান যুবকের ইসলাম ধর্ম গ্রহন নারায়ণগঞ্জ  শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বইমেলায় কবিদের উত্তরীয় দিয়ে বরণ কুড়িগ্রামে ৫.১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার কৃষক হত্যা মামলায় জয়পুরহাটে ৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কুড়িগ্রামের উলিপুরে রাস্তা পাকা করন কাজের উদ্বোধন গাজীপুরে মাদ্রাসার সুপার ও সভাপতির দূর্ণীতি, অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন নড়াইলের শান্তা সেনের মেডেকেল শিক্ষা জীবন সম্পন্ন করতে দারিদ্র বাবা-মায়ের দুঃশিন্তা নড়াইলে শিশু নুসরাত হত্যার রহস্য উদঘাটন ঘাতক সৎ মা গ্রেফতার

বগুড়া-৪ উপ-নির্বাচন আজ, কার সাথে কার টক্কর!

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৩:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ৮৬ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বগুড়া-৪ (নন্দীগ্রাম ও কাহালু) সংসদীয় আসনের উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ আজ বুধবার। প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে পৌঁছে গেছে নির্বাচনী সরঞ্জাম। অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণের জন্য প্রস্তুত রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহীনি। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশের পাশাপাশি নির্বাচনী এলাকায় টহল দেবে বিজিবি ও র‌্যাব।

বগুড়া-৪ আসনের অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ভোটারদের আলোচনায় আছেন পাঁচজন প্রার্থী। তারা হলেন- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধিন ১৪ দলের মনোনীত জাসদ একেএম রেজাউল করিম তানসেন (মশাল প্রতীক), জাতীয় পার্টি (জিএম কাদের) মনোনীত শাহীন মোস্তফা কামাল ফারুক (লাঙ্গল প্রতীক), বিএনপির সাবেক নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুল হাসান সিদ্দিকী জুয়েল (কুড়াল প্রতীক), আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী মুশফিকুর রহমান কাজল (ট্রাক প্রতীক) এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচিত আশরাফুল হোসেন হিরো আলম (একতারা প্রতীক)। ১৪ দলের মনোনয়ন পেলেও মশাল প্রতীকের প্রার্থী স্থানীয় আওয়ামী লীগকে সক্রিয়ভাবে পাশে পাননি। যেকারণে হতাশার কথা জানিয়েছেন জাসদ প্রার্থীর সমর্থকেরা।

অন্যদিকে লাঙ্গল প্রতীক, কুড়াল প্রতীক ও ট্রাক প্রতীকের মধ্যেই ত্রিমুখী ভোটের লড়াইয়ের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন ভোটাররা। পিছিয়ে নেই হিরো আলম। পাঁচ প্রার্থী নন্দীগ্রাম ও কাহালু উপজেলায় প্রতিটি সড়ক, বাজার ও গ্রামের রাস্তায় পোস্টার টাঙানো-মাইকিং সহ সরব প্রচারণা করেছেন। নির্বাচনী এলাকার প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে শুরু করে প্রতিটি বাজার ও চা-স্টলসহ সর্বত্রই ভোটারদের মুখে মুখে এই পাঁচজন প্রার্থীর আলোচনা।

ভোট যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন আরও চারজন। জাকের পার্টির (গোলাপ ফুল প্রতীক), বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. তাজ উদ্দিন (ডাব প্রতীক), মো. ইলিয়াস আলী (কলার ছড়ি প্রতীক) ও গোলাম মোস্তফা (দালান প্রতীক) নিয়ে নির্বাচন করছেন।

নির্বাচন অফিস সুত্র জানায়, বগুড়া-৪ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ২৮ হাজার ৪৬৯। এর মধ্যে কাহালুতে ৯০ হাজার ৯৬৩ জন নারী এবং ৮৯ হাজার ৮৮০ জন পুরুষ ভোটার। নন্দীগ্রামে ৭৪ হাজার ৪৭১জন নারী এবং ৭৩ হাজার ১৫৫ জন পুরুষ ভোটার। এই আসনে নারী ভোটার বেশি।

জেলা প্রশাসন সুত্র জানায়, নিরাপত্তার জন্য বগুড়া-৪ আসনের জন্য ৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। সার্বিকভাবে দায়িত্বে আছেন ২ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ৬ জন। নির্বাচনের দিন এই সংখ্যা বেড়ে ১৭ জন ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন।

পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিএসবি) সূত্র জানায়, এ আসনে মোট ১১২ কেন্দ্রের মধ্যে কাহালুতে ৩৫টি গুরত্বপুর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ, বাকি ২৮টি কেন্দ্র সাধারণ। নন্দীগ্রামে ২৩টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ এবং ২৬টি কেন্দ্র সাধারন বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। নিরাপত্তার জন্য বিজিবি এবং র‌্যাবের টিম কাজ করবে। দায়িত্ব পালন করবে ডিবির স্পেশাল টিম, পুলিশের মোবাইল টিম, স্টাইকিং ও স্ট্যান্ডবাই টিম। দায়িত্ব পালন করবে কুইক রেসপন্স টিমও।

এই আসনের উপ-নির্বাচনে বড় দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থী না থাকায় ভোটকেন্দ্রে ভোটারের উপস্থিতি খুবই কম হতে পারে বলে অনেকের ধারণা। ভোটযুদ্ধে কোন প্রার্থীর সঙ্গে কোন প্রার্থীর লড়াই হবে তা নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা থাকলেও ভোটযুদ্ধের হিসাব মিলাতে পারছেন না কেউ। যার যার কর্মী-সমর্থক নিজ প্রার্থীর সাফাই গাইছেন।

আওয়ামী লীগ সমর্থকরা বলছেন, মশাল এবং লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থীর মধ্যেই ভোটের লড়াই হবে। নন্দীগ্রাম উপজেলায় তানসেন (মশাল) ব্যক্তি জনপ্রিয়তায় এগিয়ে থাকলেও কাহালু উপজেলায় ফারুক (লাঙ্গল) এগিয়ে রয়েছে বলছেন ভোটাররা। পিছিয়ে নেই কাজলের (ট্রাক প্রতীক) ও জুয়েলের (কুড়াল প্রতীক)।

বিএনপির সমর্থকরা বলছেন, তাদের দল বিএনপির মনোনয়নে এ আসনে মোশারফ হোসেন এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং পরে দলের হাইকমান্ডের নির্দেশে তিনি এমপি থেকে পদত্যাগ করায় উপ-নির্বাচন হচ্ছে। বিএনপি এই উপনির্বাচনে অংশ নেয়নি, এজন্য নেতাকর্মী ও সমর্থকরা নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করবে। তবে যদিও কিছু সমর্থক ভোট দিতে যেতে পারেন, তারা লাঙ্গল এবং একতারা প্রতীকে ভোট দেবেন বলে গুঞ্জন চলছে। বিএনপির সাবেক নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুল হাসান সিদ্দিকী জুয়েল (কুড়াল প্রতীক) নন্দীগ্রাম পৌরসভার দুইবার মেয়র ছিলেন। যেকারণে পৌর এলাকায় তার পক্ষের সমর্থক ও ভোটার রয়েছে। তিনি এই আসনের বিএনপির সাবেক এমপি ডা. জিয়াউল হক মোল্লা পন্থী হিসেবে বিএনপি সমর্থকদের কাছে পরিচিত। দুই উপজেলার কিছু বিএনপি নেতাকর্মীরা জুয়েলের (কুড়াল প্রতীক) প্রকাশ্য প্রচারণা চালিয়েছেন। নন্দীগ্রামে আলোচনায় থাকলেও কাহালু উপজেলায় ভোটারদের মুখে মুখে লাঙ্গল ও ট্রাক প্রতীক।

বিএনপির কিছু সমর্থক বলছে, তারা ভোট কেন্দ্রে যাবেন এবং হিরো আলমকে একতারা প্রতীকে ভোট দেবেন। অন্যদিকে তরুণ ও নতুন ভোটারদের মুখে মুখে হিরো আলমের (একতারা প্রতীক) গুঞ্জন চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বগুড়া-৪ উপ-নির্বাচন আজ, কার সাথে কার টক্কর!

আপডেট সময় : ০৯:৩৩:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বগুড়া-৪ (নন্দীগ্রাম ও কাহালু) সংসদীয় আসনের উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ আজ বুধবার। প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে পৌঁছে গেছে নির্বাচনী সরঞ্জাম। অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণের জন্য প্রস্তুত রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহীনি। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশের পাশাপাশি নির্বাচনী এলাকায় টহল দেবে বিজিবি ও র‌্যাব।

বগুড়া-৪ আসনের অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ভোটারদের আলোচনায় আছেন পাঁচজন প্রার্থী। তারা হলেন- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধিন ১৪ দলের মনোনীত জাসদ একেএম রেজাউল করিম তানসেন (মশাল প্রতীক), জাতীয় পার্টি (জিএম কাদের) মনোনীত শাহীন মোস্তফা কামাল ফারুক (লাঙ্গল প্রতীক), বিএনপির সাবেক নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুল হাসান সিদ্দিকী জুয়েল (কুড়াল প্রতীক), আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী মুশফিকুর রহমান কাজল (ট্রাক প্রতীক) এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচিত আশরাফুল হোসেন হিরো আলম (একতারা প্রতীক)। ১৪ দলের মনোনয়ন পেলেও মশাল প্রতীকের প্রার্থী স্থানীয় আওয়ামী লীগকে সক্রিয়ভাবে পাশে পাননি। যেকারণে হতাশার কথা জানিয়েছেন জাসদ প্রার্থীর সমর্থকেরা।

অন্যদিকে লাঙ্গল প্রতীক, কুড়াল প্রতীক ও ট্রাক প্রতীকের মধ্যেই ত্রিমুখী ভোটের লড়াইয়ের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন ভোটাররা। পিছিয়ে নেই হিরো আলম। পাঁচ প্রার্থী নন্দীগ্রাম ও কাহালু উপজেলায় প্রতিটি সড়ক, বাজার ও গ্রামের রাস্তায় পোস্টার টাঙানো-মাইকিং সহ সরব প্রচারণা করেছেন। নির্বাচনী এলাকার প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে শুরু করে প্রতিটি বাজার ও চা-স্টলসহ সর্বত্রই ভোটারদের মুখে মুখে এই পাঁচজন প্রার্থীর আলোচনা।

ভোট যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন আরও চারজন। জাকের পার্টির (গোলাপ ফুল প্রতীক), বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. তাজ উদ্দিন (ডাব প্রতীক), মো. ইলিয়াস আলী (কলার ছড়ি প্রতীক) ও গোলাম মোস্তফা (দালান প্রতীক) নিয়ে নির্বাচন করছেন।

নির্বাচন অফিস সুত্র জানায়, বগুড়া-৪ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ২৮ হাজার ৪৬৯। এর মধ্যে কাহালুতে ৯০ হাজার ৯৬৩ জন নারী এবং ৮৯ হাজার ৮৮০ জন পুরুষ ভোটার। নন্দীগ্রামে ৭৪ হাজার ৪৭১জন নারী এবং ৭৩ হাজার ১৫৫ জন পুরুষ ভোটার। এই আসনে নারী ভোটার বেশি।

জেলা প্রশাসন সুত্র জানায়, নিরাপত্তার জন্য বগুড়া-৪ আসনের জন্য ৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। সার্বিকভাবে দায়িত্বে আছেন ২ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ৬ জন। নির্বাচনের দিন এই সংখ্যা বেড়ে ১৭ জন ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন।

পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিএসবি) সূত্র জানায়, এ আসনে মোট ১১২ কেন্দ্রের মধ্যে কাহালুতে ৩৫টি গুরত্বপুর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ, বাকি ২৮টি কেন্দ্র সাধারণ। নন্দীগ্রামে ২৩টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ এবং ২৬টি কেন্দ্র সাধারন বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। নিরাপত্তার জন্য বিজিবি এবং র‌্যাবের টিম কাজ করবে। দায়িত্ব পালন করবে ডিবির স্পেশাল টিম, পুলিশের মোবাইল টিম, স্টাইকিং ও স্ট্যান্ডবাই টিম। দায়িত্ব পালন করবে কুইক রেসপন্স টিমও।

এই আসনের উপ-নির্বাচনে বড় দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থী না থাকায় ভোটকেন্দ্রে ভোটারের উপস্থিতি খুবই কম হতে পারে বলে অনেকের ধারণা। ভোটযুদ্ধে কোন প্রার্থীর সঙ্গে কোন প্রার্থীর লড়াই হবে তা নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা থাকলেও ভোটযুদ্ধের হিসাব মিলাতে পারছেন না কেউ। যার যার কর্মী-সমর্থক নিজ প্রার্থীর সাফাই গাইছেন।

আওয়ামী লীগ সমর্থকরা বলছেন, মশাল এবং লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থীর মধ্যেই ভোটের লড়াই হবে। নন্দীগ্রাম উপজেলায় তানসেন (মশাল) ব্যক্তি জনপ্রিয়তায় এগিয়ে থাকলেও কাহালু উপজেলায় ফারুক (লাঙ্গল) এগিয়ে রয়েছে বলছেন ভোটাররা। পিছিয়ে নেই কাজলের (ট্রাক প্রতীক) ও জুয়েলের (কুড়াল প্রতীক)।

বিএনপির সমর্থকরা বলছেন, তাদের দল বিএনপির মনোনয়নে এ আসনে মোশারফ হোসেন এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং পরে দলের হাইকমান্ডের নির্দেশে তিনি এমপি থেকে পদত্যাগ করায় উপ-নির্বাচন হচ্ছে। বিএনপি এই উপনির্বাচনে অংশ নেয়নি, এজন্য নেতাকর্মী ও সমর্থকরা নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করবে। তবে যদিও কিছু সমর্থক ভোট দিতে যেতে পারেন, তারা লাঙ্গল এবং একতারা প্রতীকে ভোট দেবেন বলে গুঞ্জন চলছে। বিএনপির সাবেক নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুল হাসান সিদ্দিকী জুয়েল (কুড়াল প্রতীক) নন্দীগ্রাম পৌরসভার দুইবার মেয়র ছিলেন। যেকারণে পৌর এলাকায় তার পক্ষের সমর্থক ও ভোটার রয়েছে। তিনি এই আসনের বিএনপির সাবেক এমপি ডা. জিয়াউল হক মোল্লা পন্থী হিসেবে বিএনপি সমর্থকদের কাছে পরিচিত। দুই উপজেলার কিছু বিএনপি নেতাকর্মীরা জুয়েলের (কুড়াল প্রতীক) প্রকাশ্য প্রচারণা চালিয়েছেন। নন্দীগ্রামে আলোচনায় থাকলেও কাহালু উপজেলায় ভোটারদের মুখে মুখে লাঙ্গল ও ট্রাক প্রতীক।

বিএনপির কিছু সমর্থক বলছে, তারা ভোট কেন্দ্রে যাবেন এবং হিরো আলমকে একতারা প্রতীকে ভোট দেবেন। অন্যদিকে তরুণ ও নতুন ভোটারদের মুখে মুখে হিরো আলমের (একতারা প্রতীক) গুঞ্জন চলছে।