ঢাকা ০২:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রবাস জীবন হে ফাগুন দানিয়াল হত্যা মামলার প্রধান আসামী অনিক গ্রেফতার দেশের অন্যতম চরমোনাইর ফাল্গুনের ৩ দিনব্যাপী বাৎসরিক মাহফিল শুরু বুধবার নড়াইলে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ফেন্সিডিলসহ গ্রেফতার নারায়ণগঞ্জের অস্ত্রের কারখানার সন্ধান পেয়েছে ডিবি রাজারহাট উপজেলা চেয়ারম্যান ও নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে ২১শে ফেব্রুয়ারি’র প্রথম প্রহরে পুষ্পার্ঘ অর্পণ রক্তে কেনা ভাষায় হিন্দুত্ববাদী সাংস্কৃতিক আগ্রাসন রুখে দিতে হবে: ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর নড়াইলে সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে লাখো প্রদীপ জ্বালিয়ে ভাষা শহীদদের স্মরণ নকলায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

জামালপুরে ধর্ষণের শিকার প্রতিবন্ধী নারীর সন্তান প্রসব, গ্রেপ্তার হয়নি ধর্ষক

মোঃ কবির হোসেন জামালপুর জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৫:২৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ মে ২০২৩ ৭০ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় ৯ মাস আগে ধর্ষণের শিকার এক বুদ্ধি-প্রতিবন্ধী স্বামী পরিত্যক্ত নারী সন্তান প্রসব করেছে। রোববার (৭ মে) বিকাল ৫ টা দিকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে এ ধর্ষিতা নারী কন্যা সন্তান প্রসব করেন। ধর্ষনের শিকার ওই নারী ও নবজাতক জামালপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ধর্ষণের ঘটনায় গত (৫ মে) ওই নারীর মা বাদী হয়ে মেলান্দহ থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। তবে ধর্ষণ মামলার আসামিকে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। অভিযুক্ত মেলান্দহ উপজেলার কুলিয়া ইউনিয়নের ভালুকা এলাকার মামুন মিয়া (৩৫) তিনি কৃষক কাজ করেন। স্থানীয় ও ধর্ষিতা নারীর স্বজনরা জানান,’ধর্ষিতা নারী বুদ্ধি প্রতিবন্ধী। তাঁর বিয়ে হয়েছিল। বুদ্ধি প্রতিবন্ধী হওয়ায় তিনি স্বামী পরিত্যক্ত হন। ৮-৯ মাস আগে ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ধর্ষণের শিকারের তিন মাস পর ওই নারী ও তাঁর মা বুঝতে পারেন ধর্ষিতা নারীর গর্ভে সন্তান। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় এ ঘটনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে ঘটনাটি সমঝোতা হওয়ার জন্য অভিযুক্তের পরিবার থেকে ধর্ষণের শিকার নারীর পরিবারকে বলে। অভিযুক্ত মামুন ওই নারীকে বিয়ে করবেন বলে ধর্ষণের শিকার ওই নারীর পরিবারকে জানান এবং এই ঘটনা কাউকে না জানাতে বলেন। পরে বিষয়টি নিয়ে সমঝোতা হওয়ার জন্য সালিশি হয়েছিল। পরে বিষয়টি সমঝোতা না হলে ধর্ষিতা নারীর মা বাদী হয়ে থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। ধর্ষণের শিকার ওই নারীর মা বলেন, আমরা গরীব মানুষ, এহন মেয়ে ও বাচ্চা নিয়ে কই যামু, কি করমু চিন্তায় আছি। মীমাংসা হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তাঁরা মীমাংসা হয় নাই। কাল হাসপাতালে মেয়ে হয়েছে। কাছে টাকা পয়সা নাই যে মেয়েকে চিকিৎসা করমু। আমার মেয়ে ও তার সন্তানের একটা ব্যবস্থা চাই সরকারের কাছে। আর মামুনের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই তার যেন বিচার হয়। এ বিষয়ে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের গাইনি বিভাগের প্রধান ফাকরিয়া আলম বলেন,’রোববার দুপুরে প্রসববেদনা নিয়ে ওই নারী হাসপাতালে ভর্তি হন। বিকেলে একটি ফুটফুটে কন্যাসন্তান জন্ম হয়। নবজাতক সুস্থ আছে। তবে প্রসূতির শারীরিক অবস্থা দুর্বল। তাঁকে রক্ত ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এবিষয়ে মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি দেলোয়ার হোসেন বলেন,’ থানায় মামলার দায়ের করেছেন। আসামিকে গ্রেপ্তার করার চেষ্টা চলছে। খুব দ্রুত আসামীর গ্রেপ্তার হবে। হাসপাতালে ওই নারীর সঙ্গে আমাদের নারী-পুলিশ ছিলেন। ওই নারীর কন্যা সন্তান হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

জামালপুরে ধর্ষণের শিকার প্রতিবন্ধী নারীর সন্তান প্রসব, গ্রেপ্তার হয়নি ধর্ষক

আপডেট সময় : ০৫:২৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ মে ২০২৩

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় ৯ মাস আগে ধর্ষণের শিকার এক বুদ্ধি-প্রতিবন্ধী স্বামী পরিত্যক্ত নারী সন্তান প্রসব করেছে। রোববার (৭ মে) বিকাল ৫ টা দিকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে এ ধর্ষিতা নারী কন্যা সন্তান প্রসব করেন। ধর্ষনের শিকার ওই নারী ও নবজাতক জামালপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ধর্ষণের ঘটনায় গত (৫ মে) ওই নারীর মা বাদী হয়ে মেলান্দহ থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। তবে ধর্ষণ মামলার আসামিকে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। অভিযুক্ত মেলান্দহ উপজেলার কুলিয়া ইউনিয়নের ভালুকা এলাকার মামুন মিয়া (৩৫) তিনি কৃষক কাজ করেন। স্থানীয় ও ধর্ষিতা নারীর স্বজনরা জানান,’ধর্ষিতা নারী বুদ্ধি প্রতিবন্ধী। তাঁর বিয়ে হয়েছিল। বুদ্ধি প্রতিবন্ধী হওয়ায় তিনি স্বামী পরিত্যক্ত হন। ৮-৯ মাস আগে ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ধর্ষণের শিকারের তিন মাস পর ওই নারী ও তাঁর মা বুঝতে পারেন ধর্ষিতা নারীর গর্ভে সন্তান। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় এ ঘটনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে ঘটনাটি সমঝোতা হওয়ার জন্য অভিযুক্তের পরিবার থেকে ধর্ষণের শিকার নারীর পরিবারকে বলে। অভিযুক্ত মামুন ওই নারীকে বিয়ে করবেন বলে ধর্ষণের শিকার ওই নারীর পরিবারকে জানান এবং এই ঘটনা কাউকে না জানাতে বলেন। পরে বিষয়টি নিয়ে সমঝোতা হওয়ার জন্য সালিশি হয়েছিল। পরে বিষয়টি সমঝোতা না হলে ধর্ষিতা নারীর মা বাদী হয়ে থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। ধর্ষণের শিকার ওই নারীর মা বলেন, আমরা গরীব মানুষ, এহন মেয়ে ও বাচ্চা নিয়ে কই যামু, কি করমু চিন্তায় আছি। মীমাংসা হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তাঁরা মীমাংসা হয় নাই। কাল হাসপাতালে মেয়ে হয়েছে। কাছে টাকা পয়সা নাই যে মেয়েকে চিকিৎসা করমু। আমার মেয়ে ও তার সন্তানের একটা ব্যবস্থা চাই সরকারের কাছে। আর মামুনের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই তার যেন বিচার হয়। এ বিষয়ে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের গাইনি বিভাগের প্রধান ফাকরিয়া আলম বলেন,’রোববার দুপুরে প্রসববেদনা নিয়ে ওই নারী হাসপাতালে ভর্তি হন। বিকেলে একটি ফুটফুটে কন্যাসন্তান জন্ম হয়। নবজাতক সুস্থ আছে। তবে প্রসূতির শারীরিক অবস্থা দুর্বল। তাঁকে রক্ত ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এবিষয়ে মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি দেলোয়ার হোসেন বলেন,’ থানায় মামলার দায়ের করেছেন। আসামিকে গ্রেপ্তার করার চেষ্টা চলছে। খুব দ্রুত আসামীর গ্রেপ্তার হবে। হাসপাতালে ওই নারীর সঙ্গে আমাদের নারী-পুলিশ ছিলেন। ওই নারীর কন্যা সন্তান হয়েছে।