ঢাকা ১২:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হে ফাগুন দানিয়াল হত্যা মামলার প্রধান আসামী অনিক গ্রেফতার দেশের অন্যতম চরমোনাইর ফাল্গুনের ৩ দিনব্যাপী বাৎসরিক মাহফিল শুরু বুধবার নড়াইলে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ফেন্সিডিলসহ গ্রেফতার নারায়ণগঞ্জের অস্ত্রের কারখানার সন্ধান পেয়েছে ডিবি রাজারহাট উপজেলা চেয়ারম্যান ও নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে ২১শে ফেব্রুয়ারি’র প্রথম প্রহরে পুষ্পার্ঘ অর্পণ রক্তে কেনা ভাষায় হিন্দুত্ববাদী সাংস্কৃতিক আগ্রাসন রুখে দিতে হবে: ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর নড়াইলে সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে লাখো প্রদীপ জ্বালিয়ে ভাষা শহীদদের স্মরণ নকলায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল যুবলীগ নেতার মামলায় যুব-মহিলালীগ নেত্রী গ্রেফতার

আশঙ্কাজনকহারে পানির স্তর নেমে যাওয়ায় বিপাকে চাষিরা

হীমেল কুমার মিত্র স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ১১:১২:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ মার্চ ২০২৩ ৭৮ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ক্রমেই আশঙ্কাজনকহারে পানির স্তর নামতে শুরু করেছে। এতে ইরি ও বোরো চাষের সেচ নিয়ে বিপাকে পড়েছেন চাষিরা।

সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাধ্য হয়ে অনেকেই ১০ থেকে ১৫ ফুট গর্ত বা কুয়া করে তার মধ্যে সেচ মেশিন বসিয়ে সেচকাজ চালাচ্ছেন। তারপরেও ঠিকমতো পানি না আসায় বিপাকে এসব এলাকার চাষি। দেখা দিয়েছে তীব্র পানি সংকট। সেচ মেশিনের পাশাপাশি টিউবওয়েলেও পানি উঠছে না। এতে খাবার পানিরও সংকট দেখা দিয়েছে।

উপজেলার সাপমারা ইউনিয়নের চক রহিমাপুর, রামপুরা, সাহেবগঞ্জ, মেরী, মাদারপুর, কাটাবাড়ী ইউনিয়নের পলুপাড়া, কলোনী, ভেলামারী ও দরবস্ত ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি এলাকায় এ সমস্যা প্রকট। বাধ্য হয়ে এসব এলাকার চাষিরা ১০ থেকে ফুট ১৫ ফুট গর্ত খনন করে তার মধ্যে সেচ পাম্প বসিয়ে পানি তুলছেন। কিন্তু সেখানেও কয়েকদিন পরপর পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় পানি পাওয়া যাচ্ছে না। যে কারণে পানির সন্ধানে অনেকেই আবারও গভীর গর্ত খনন করছেন।

চলতি ইরি ও বোরো ধান সেচনির্ভর হওয়ায় ভূগর্ভস্থ পানি না পাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন এসব এলাকার চাষিরা। তারা বলছেন, পানির স্তর এভাবে নামতে থাকলে আগামী বছরগুলোতে পানি সংকট আরও প্রকট আকার ধারণ করবে।

গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক মো. বেলাল হোসেন জানান, ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার বেশি হওয়ায় এসব এলাকায় পানির স্তর নেচে গেছে।

সেচের জন্য পুকুর ও ডোবা-নালায় বৃষ্টির পানি ধরে রাখার পাশাপাশি ধানের পরিবর্তে কম সেচ লাগে এমন ফসলের চাষাবাদ বাড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি।

চলতি মৌসুমে এ উপজেলার ১৭ ইউনিয়নে প্রায় ৩৬ হাজার হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো ধানের চাষ হয়েছে। যার মধ্যে কাটাবাড়ি, সাপমাড়া ও দরবস্ত ইউনিয়নের পানি সংকট প্রকট এলাকায় ৬ হাজার ২৭৭ হেক্টর চাষ হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

আশঙ্কাজনকহারে পানির স্তর নেমে যাওয়ায় বিপাকে চাষিরা

আপডেট সময় : ১১:১২:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ মার্চ ২০২৩

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ক্রমেই আশঙ্কাজনকহারে পানির স্তর নামতে শুরু করেছে। এতে ইরি ও বোরো চাষের সেচ নিয়ে বিপাকে পড়েছেন চাষিরা।

সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাধ্য হয়ে অনেকেই ১০ থেকে ১৫ ফুট গর্ত বা কুয়া করে তার মধ্যে সেচ মেশিন বসিয়ে সেচকাজ চালাচ্ছেন। তারপরেও ঠিকমতো পানি না আসায় বিপাকে এসব এলাকার চাষি। দেখা দিয়েছে তীব্র পানি সংকট। সেচ মেশিনের পাশাপাশি টিউবওয়েলেও পানি উঠছে না। এতে খাবার পানিরও সংকট দেখা দিয়েছে।

উপজেলার সাপমারা ইউনিয়নের চক রহিমাপুর, রামপুরা, সাহেবগঞ্জ, মেরী, মাদারপুর, কাটাবাড়ী ইউনিয়নের পলুপাড়া, কলোনী, ভেলামারী ও দরবস্ত ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি এলাকায় এ সমস্যা প্রকট। বাধ্য হয়ে এসব এলাকার চাষিরা ১০ থেকে ফুট ১৫ ফুট গর্ত খনন করে তার মধ্যে সেচ পাম্প বসিয়ে পানি তুলছেন। কিন্তু সেখানেও কয়েকদিন পরপর পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় পানি পাওয়া যাচ্ছে না। যে কারণে পানির সন্ধানে অনেকেই আবারও গভীর গর্ত খনন করছেন।

চলতি ইরি ও বোরো ধান সেচনির্ভর হওয়ায় ভূগর্ভস্থ পানি না পাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন এসব এলাকার চাষিরা। তারা বলছেন, পানির স্তর এভাবে নামতে থাকলে আগামী বছরগুলোতে পানি সংকট আরও প্রকট আকার ধারণ করবে।

গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক মো. বেলাল হোসেন জানান, ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার বেশি হওয়ায় এসব এলাকায় পানির স্তর নেচে গেছে।

সেচের জন্য পুকুর ও ডোবা-নালায় বৃষ্টির পানি ধরে রাখার পাশাপাশি ধানের পরিবর্তে কম সেচ লাগে এমন ফসলের চাষাবাদ বাড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি।

চলতি মৌসুমে এ উপজেলার ১৭ ইউনিয়নে প্রায় ৩৬ হাজার হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো ধানের চাষ হয়েছে। যার মধ্যে কাটাবাড়ি, সাপমাড়া ও দরবস্ত ইউনিয়নের পানি সংকট প্রকট এলাকায় ৬ হাজার ২৭৭ হেক্টর চাষ হয়েছে।